User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
বইটি এক কথায় অসাধারণ।
Was this review helpful to you?
or
Recommending this book for all!
Was this review helpful to you?
or
#Rokomari_Book_Club_Review_Competition বইঃ বাইবেল,কুরআন ও বিজ্ঞান রিভিউ লেখিকাঃ তামিস্রা জেসমিন প্রারম্ভিকাঃ ___________ মানুষ সৃষ্টির সেরাজীব। সমস্ত সৃষ্টিকূলের উপর মানুষকে এই শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা। মেহেরবান আল্লাহ সুন্দর দৈহিক গঠন আর অসাধারণ বিবেক বুদ্ধি প্রদান করে মানুষকে অনন্য মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন। মানুষের শিরে শোভা পাওয়া শ্রেষ্ঠত্বের এই মুকুট দানের পেছনে মহামহিমের রয়েছে বিরাট উদ্দেশ্য। আর সেটি হলো মানুষ তার পুরো জিন্দেগী কাটাবে একমাত্র সত্তা আল্লাহ তা'আলার ইবাদত করে। মহান রব তাঁর এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্যই একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মানবজাতিকে দুনিয়ার বুকে বিচরণের সুযোগ দিয়েছেন। আবার অচেনা দুনিয়ায় চলতে গিয়ে মানুষ যেন পথ হারিয়ে না ফেলে তার জন্য যুগে যুগে প্রেরণ করেছেন বহু পথ-প্রদর্শক, ইসলামি পরিভাষায় তাদের বলা হয় নবি-রাসূল। প্রত্যেক নবি-রাসূলই ছিলেন মানবজাতির শিক্ষক। আর তাদের শিক্ষার উপকরণ ছিল আসমানি গ্রন্থসমূহ যার প্রতিটি বাণী স্বয়ং আসমানের অধিপতির। যাবূর, তাওরাত, ইঞ্জিল ও কুরআন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। জীবনে চলার পথের নির্দেশিকা হিশেবে মানুষ আসমানি কিতাবসমূহের অনুসরণ কিছুকাল করলেও একসময় নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির অসৎ প্রয়াসে আল্লাহর কিতাবে আনে আমূল পরিবর্তন, আদেশ-নিষেধে করে ব্যাপক সংযোজন-বিয়োজন। কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু কুরআনুল কারীম। এখনো পর্যন্ত এই কিতাবের বিন্দু-বিসর্গ পরিবর্তন হয় নি। প্রায় সাড়ে চৌদ্দশ বছর আগে একজন সম্মানিত বাণী বাহকের দ্বারা আগত আল্লাহর বাণীসমূহ বর্তমানে হুবুহু এক রয়ে গেছে। কিন্তু কীভাবে তা সম্ভব হলো? এই কি এবং কেনোর উত্তর দেয়া হয়েছে "বাইবেল,কুরআন ও বিজ্ঞান" বইটিতে। যাবূর,তাওরাত, ইঞ্জিল আল্লাহর কিতাব হওয়া সত্ত্বেও কেনো বিকৃত হলো আর কুরআনুল কারীম কেন এখনো অপরিবর্তিত তার ইতিহাস এই বইয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেইসাথে বাইবেলের সাথে বিজ্ঞানের, বিজ্ঞানের সাথে কুরআনের এবং বাইবেল ও কুরআন এ দুটি আসমানীগ্রন্থের উপর পারস্পরিক তুলনা ও গভীর পর্যালোচনা করা হয়েছে এই বইতে। বইটির আলোচ্য বিষয়ঃ ____________________ বইয়ে একটা বিষয়ের শুধু একটি দিকের উপরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। বইটির আলোচ্য বিষয় হলো আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যজ্ঞানের আলোকে আসমানী কিতাব বলে পরিচিত ধর্মগ্রন্থসমূহের বক্তব্যের সঠিকত্ব যাচাইকরণ। এক্ষেত্রে লেখক আলোচনার সুবিধার্থে বইকে চার ভাগে বিভক্ত করেছেন। যথাঃ ★ বাইবেল আলোচনা ★ কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান ★ কুরআন ও বাইবেল ★কুরআন,হাদিস ও আধুনিক বিজ্ঞান ★বাইবেল আলোচনাঃ এ অধ্যায়ের প্রারম্ভে বাইবেল সম্পর্কে সাধারণ আলোচনা করার পর বাইবেলের পুরাতন নিয়মের সাথে বিজ্ঞানের পারস্পরিক তুলনা করা হয়। বাইবেলের পুরাতন নিয়মকে বিজ্ঞান দ্বারা পরিক্ষা করে লেখক 'ওল্ড টেস্টামেন্টে' এমন সব বক্তব্য খুঁজে পান যা আধুনিক বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সত্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। পুরাতন নিয়মের আলোচনা শেষে লেখক নতুন নিয়মের চারটি সুসমাচার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করেন। আলোচনার ফলে সুসমাচারের মধ্যকার পরস্পর স্ব-বিরোধী বক্তব্য পাঠকের সামনে উন্মুক্ত হয়। এ অধ্যায়ে বাইবেল সম্পাদনায় মানুষের যথেচ্ছভাবে কলম চালনার ন্যক্কারজনক ইতিহাসেরও উল্লেখ করা হয়েছে। ★কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞানঃ এ অধ্যায়ে কুরআনের সাথে বিজ্ঞানের পারস্পরিক তুলনা করা হয়েছে। কুরআন নিয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে যে বিজ্ঞানের সাথে কুরআনের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। গবেষণার ফলাফলে স্পষ্ট হয়েছে যে, কুরআনে বিজ্ঞানসংক্রান্ত বক্তব্য কিছুমাত্র কম নয় বরং অধিক এবং এর কোনটা বিজ্ঞানের ইস্পাতকঠিন সত্যের বিরোধী নয়। এছাড়াও অধ্যায়ে কুরআন সংকলনের সুদীর্ঘ ইতিহাস, কুরআনের সঠিকত্বের রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ★কুরআন ও বাইবেলঃ এ অধ্যায়ে বাইবেল ও কুরআনের পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ বক্তব্য নিয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বিচার-বিশ্লেষণে এটি প্রতীয়মান হয়েছে যে, কুরআনের বক্তব্য বৈজ্ঞানিক সত্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ আর বাইবেলের বক্তব্য আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক। কুরআনের ভাষার নির্ভুলতা ও বাইবেলের ভাষার মাঝের অসঙ্গতিও এ অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে। ★কুরআন, হাদিস ও আধুনিক বিজ্ঞানঃ বিজ্ঞানের কষ্টিপাথরে যাচাই করে লেখক কুরআনকে নির্ভুল বলে স্বীকার করলেও হাদিসের ব্যাপারে তেমন স্বীকৃতি দেন নি। বরং লেখক অধ্যায়ে হাদিসের কিছু কিছু বক্তব্যকে বৈজ্ঞানিক দিক থেকে অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা দিয়েছেন। বই নিয়ে আমার অনুভূতিঃ ________________________ সাধারণত অমুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ইসলাম নিয়ে নানা ভ্রান্তপূর্ণ ধারণার প্রচলন থাকে, সেসব দেশের মানুষের কুরআন সম্পর্কে ধারণা থাকে যৎসামান্য, বেশিরভাগই ডুবে থাকে অজ্ঞানতার সাগরে। রাষ্ট্রীয়ভাবেও সেসব দেশে কুরআনের কোনো স্বীকৃতি থাকে না, কোনো কোনো দেশে কুরআনকে ঐশী প্রত্যাদেশপ্রাপ্ত বাণী হিসেবেই মানা হয় না, সেসব দেশে কুরআনের একটি কপি খুঁজে বের করা দুষ্কর, আর কুরআন নিয়ে গবেষণা তো প্রায় অসম্ভব। কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমধর্মী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ফরাসি গবেষক ড. মরিস বুকাইলি। কুরআন বিরুদ্ধ পরিবেশে বড় হয়েও তিনি দেখিয়েছেন কুরআনের প্রতি আগ্রহ। স্রোতের বিপরীতে গিয়ে করেছেন সে কিতাব নিয়ে গবেষণা। তাই বই পড়ার প্রথমেই লেখজের কুরআনের প্রতি অদম্য আগ্রহের বিষয়টি আমার হৃদয়ের অন্তঃস্থানে ভালো লাগার সৃষ্টি করেছে। . দ্বিতীয় যে বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে তা হলো বই রচনার ক্ষেত্রে লেখকের নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি। বইটি রচনার ক্ষেত্রে ড.মরিস বুকাইলির লেখক সত্তার কোথাও পক্ষপাতিত্বের ছাপ পরিলক্ষিত হয় নি। লেখক যথাসম্ভব বাইবেল প্রীতি ত্যাগ করেছেন অন্যদিকে কুরআন সম্পর্কে নানা সংশয় থাকা স্বত্বেও কোনো ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব তিনি পোষণ করেন নি। এমন উদারনীতির জন্য লেখক অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। . তৃতীয় যে বিষয়টি আমাকে ভাবিয়েছে তা হলো খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী কিছু মানুষের অসৎ মনোবৃত্তি। আল্লাহ তা'আলার নিরেট বাণীর উপর কলম চালানোর অসৎ প্রচেষ্টা, কলুষপূর্ণ মনের ভ্রান্ত কথা দ্বারা বাইবেলকে অপবিত্র করার বিকৃতি মানসিকতা আমাকে ব্যথিত করেছে। বাইবেল অধ্যায়ে এমন ন্যাক্কারজনক কাজের সবিস্তার বিবরণ পড়ে আমি তাদের পরিণতির কথা ভেবে শিউরে উঠেছি ক্ষণে ক্ষণে। বাইবেলে সংযোজিত মানুষের কিছু অবাস্তব বক্তব্য পড়ে আবার মাঝে মাঝে নির্মল আনন্দও পেয়েছি, সেইসাথে তাদের মতো নির্বোধ ও সীমালঙ্ঘনকারী হয়ে যাওয়া থেকে রবের কাছে বারবার আশ্রয় প্রার্থনা করেছি। . চতুর্থ বইয়ের যে বিষয়টি আমার হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে তা হলো, কুরআনের সাথে বিজ্ঞানের বিস্ময়কর সম্পর্ক। এতকালযাবৎ মানুষের ধারণা ছিল বিজ্ঞানশাস্ত্রের সাথে ধর্মশাস্ত্রের সম্পর্ক সাপে-নেউলে। কিন্তু মরিস বুকাইলির মতো গুণী মানুষ সেই ধারণাকে স্পষ্ট ভুল প্রমাণ করে বলেছেন, ' কুরআনের সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্ক যময বোনের মতো'। অর্থাৎ দুটির মাঝে পরস্পর কোনো বিরোধ নেই বরং রয়েছে অদ্ভুদ মিল। কুরআনের সাথে বিজ্ঞানের এমন সুসম্পর্ক, কুরআনের রূপকাশ্রয়ী সরল-সহজ বাণীর মাঝে বিজ্ঞানের নিগূঢ় তথ্যের সন্ধান পেয়ে যারপরনাই আমি বিস্মিত হয়েছে। বারেবারে কৃতজ্ঞ হয়ে রবের মহিমার গুনগান করেছি আর প্রার্থনা করেছি কুরআন নিয়ে ভাবার তৌফিক যেন তিনি আমাকেও দেন। . এছাড়া অনুবাদের প্রাঞ্জল ভাষা বইটিকে আমার নিকট আরও অধিক সুখপাঠ্য করেছে। বইটি কাদের জন্যঃ _________________ স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসী আর স্রষ্টার অস্তিত্বে সন্দেহপোষণকারী উভয় শ্রেণির লোকের জন্য এ বইটি চিন্তার খোরাক হিশেবে কাজ করবে। বিজ্ঞানমনষ্ক ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ যেমন এ বইটি পড়ে উপকার পাবে তেমনি ধর্মকে অবলম্বন করে বাঁচা সরল মানুষও এ বইয়ের পাঠ গ্রহণ করে সবিশেষ উপকৃত হবেন। এক কথায় সত্যের সন্ধান করতে ভালোবাসেন এমনসব কৌতুহলী মানুষের জন্যই এই বই। লেখক পরিচিতিঃ _________________ জন্মঃ ১৯ জুলাই, ১৯২০ মৃত্যুঃ ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৮ পেশাঃ একজন ফরাসি চিকিৎসাবিদ। একই সাথে ছিলেন মিশরতত্ত্ব এর ফরাসি সোসাইটির সদস্য ও একজন লেখক। তিনি ফেরাউনের মমির উপত ফরাসি অধ্যয়নের সিনিয়র সার্জন ছিলেন। অনুবাদক পরিচিতিঃ __________________ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক,ঢাকা। শেষ কথাঃ ___________ পৃথিবীতে মানুষের আগমন ঘটেছে মিথ্যার আঁধার ফেঁড়ে সত্যের আলোকে প্রতিফলিত করার জন্য, মিথ্যের কুয়াশায় অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া সত্যকে উন্মুক্ত করার জন্য, মিথ্যের কারাগার থেকে সত্যকে উদ্ধার করার জন্য। যুগে যুগে মানুষ এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। সময়,মেধা,শ্রম ইত্যাদি ব্যয় করেছে সেইসাথে অনেকে জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছেন। তবুও মিথ্যের চোরাবালিতে আটকে থাকাকে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ অপছন্দ করেছে সর্বদা। সত্যের পেছনে মানুষের এই নিরন্তর ছুটে চলা এখনো অব্যাহত আছে, সত্যে অনুসন্ধানের অভিযানে কেউ হয়েছেন সফল আবার কেউ হয়েছেন বিফল। আবার কেউ মাঝপথে থেকে তাদের অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন অবিরত। ড.মরিস বুকাইলি তেমনি একজন সত্যাশ্রয়ী মানুষ। জীবন সফরের মাঝপথে এসে সত্যকে দেখার তীব্র ইচ্ছা জাগে তার। সেইথেকে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে সন্ধান করেন সত্যের আর একসময় পেয়ে যান পরম সুন্দর সেই সত্যের দেখা। নির্ভেজাল সত্যের সোহবত পেয়ে পাল্টে ফেলেন নিজেকে আর স্বেচ্ছায় পান করেন হেদায়েতের অমীয় শরাব। যে বই রচনা করে ড. মরিস বুকাইলি হেদায়েতের দিশা খুঁজে পেয়েছেন সে বই পাঠ করে আপনিও পেতে পারেন হেদায়েতের দিশা, চুমুক বসানোর সুযোগ পেতে পারেন হেদায়েতের পেয়ালায়। এক নজরে বইটিঃ ________________ বইঃ বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান লেখকঃ ড. মরিস বুকাইলি অনুবাদকঃ আখতার-উল-আলম প্রকাশনীঃ জ্ঞানকোষ মুদ্রিত মূল্যঃ২৮০ পৃষ্ঠাঃ ৩৩৯ প্রথম সংস্করণঃ সেপ্টেম্বর,১৯৮৬
Was this review helpful to you?
or
অসাধারন একটি বই,বইটি পড়ে অনেক কিছু শিখলাম যা বাস্তব জীবনে কাজে লাগানো যা যাবে,যে কেউ চাইলে বইটি পড়তে পারেন পস্তাতে হবেনা , ধন্যবাদ।
Was this review helpful to you?
or
Must be nice the book. Valuable term in this book. But favorite.
Was this review helpful to you?
or
অনেক তথ্যবহুল ভালো বই।
Was this review helpful to you?
or
ড.মরিস বুকাইলি এর বাইবেল,কোরআন এবং বিজ্ঞান বই রিভিউ-১ বইটি সম্পর্কে অনেক আগে জেনেছিলাম একজন ইসলামিক স্কলারের থেকে।যাইহোক এক কথায় বলবো বইটি আমার অনেক ভালো লেগেছে এবং এর অনুবাদও ভালো হয়েছে।বইটিতে মরিস বুকাইলি একটি তুলনামূলক ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন ফলে ধর্মতত্ত্ব আরো সুস্পষ্ট হয়েছে।তাছাড়া ব্যাখ্যা করেছেন কোরআন সম্পর্কিত বহু তথ্য এবং একইভাবে বাইবেল ও বিজ্ঞানকেও বিস্তরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। ধন্যবাদ।
Was this review helpful to you?
or
There is no doubt to revealed the holly Quran in such a way that is remarkable at present world. I personally think, this kind of book was very needed to prove the holly Quran that it is never written by any man.
Was this review helpful to you?
or
এটির মূল অনুবাদক প্রখ্যাত সাংবাদিক মরহুম আখতার-উল-আলমের। ৮০'র দশকের মাঝামাঝি এর ধারাবাহিক অনুবাদ ছাপা হয়েছিল সাপ্তাহিক রোববারে। পরে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে। প্রথম ও প্রকৃত অনুবাদক ফ্রান্সের মূল প্রকাশকের কাছ থেকে অনুবাদের কপিরাইট চুক্তিমূলে পেয়েছিলেন। বইটিতে তার আইনি সতর্কবার্তাও ছিল। ব্যাপক সমাদৃত এবং প্রায় সর্বাধিক বিক্রিত এই বইটির অনেক অনুবাদক পরে আবির্ভুত হন যাদের কারোরই এই অনুবাদের ফ্রান্সের মূল প্রকাশকের আইনসম্মত অনুমতি ছিল না । মরহুম আখতার উল আলম তাঁর জীবদ্দশায় চেষ্টা করেও বিষয়টির সুরাহা করে যেতে পারেন নি। বাজারে এখন এই বইটির অনেক অনুবাদ। গবেষণা করলে দেখা যাবে মূল অনুবাদকের অনেক কিছুই কাট এন্ড পেস্ট করে বা মাঝখানে কিছু সূরার আরবি অংশ জুড়ে দিয়ে প্রকৃত অনুবাদক সেজে বসে আছেন। বাংলাদেশে নৈতিকতা এখন যে পর্যায়ে, সেখানে অনুবাদ নিয়ে ছলচাতুরি ঘটবে না, এটা দুরাশা মাত্র।
Was this review helpful to you?
or
প্রথমেই বলে নেই, ড মরিস বুকাইলি ছিলেন খৃস্টান ধর্মাবলম্বী এক ব্যক্তি এবং একজন ফরাসি চিকিৎসক। তিনি যখন ফেরাউনের লাশ নিয়ে গবেষণা করতে যান তখন লোহিত সাগর আর ফেরাউনের গল্প শুনে এই বিষয় নিয়ে জ্ঞান আহরণ শুরু করেন এবং সবকিছু নিয়ে গবেষণার পর তিনি লিখেছেন এই বই। যারা কুরআন কে বিশ্বাস করেন বইটি যেমন তাদের জন্য, যারা বিশ্বাস করেন না তাদের জন্য বইটিও। আর যারা বিজ্ঞান প্রেমী মানুষ ,তাদের তো বইটি মাস্ট পড়া উচিত। হয়তো বইয়ের কিছু চুলচেড়া বিশ্লেষণ আপনাদের করবে আবিভূত। বইটির অনেক জায়গায় রয়েছে বাইবেল নিয়ে বিভিন্ন উদৃতি, কুরআনের বিভিন্ন আয়াত। এই বইটি পড়ার পরেই বোঝা যায় যে কুরআন কতটা বিজ্ঞানসম্মত। এমনকি বিজ্ঞান অনেক সময় তার মতবাদ পরিবর্তন করলেও কুরআন রয়েছে সেই অবিকল। আমি নিজেও বিজ্ঞানের বই পড়তে ভালবাসি, পছন্দ করি বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষকার নিয়ে ভাবতে। এই বইটি পড়ার পর আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। কখনো পানিচক্র , কখনো মহাবিশ্ব, লাখ লাখ আলোকবর্ষ দূরের নক্ষত্রপুঞ্জ। লেখকের বিশ্লেষণ অসাধারণ ছিল আর অনুবাদকের অনুবাদও ভাল ছিল।
Was this review helpful to you?
or
'বাইবেল কোরআন ও বিজ্ঞান' আধুনিক জ্ঞানের ও বিজ্ঞানের যুক্তিভিত্তিক বিশ্লেষণের এবং সেই সাথে তুলনামূলক বিচার-পর্যালোচনা ও গবেষণার জন্য বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সে সাথে বিজ্ঞান ও ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে কৌতুহলী মনে উদিত অনেক প্রশ্নেরই উত্তর যোগান দিবে এটি। এক কথায়— ধর্মকে যারা ভালবাসেন- এটি তাদের জন্য। ধর্মের যারা বিরোধী - এটি তাদের জন্য। কোরআনকে যারা আসমানী কিতাব বলে বিশ্বাস করেন এটি যেমন তাদের জন্য,তেমনি এটি যারা বিশ্বাস করেননা তাদের জন্য— এতে যুক্তির নিরিখে ড. মরিস বুকাইলি বিজ্ঞানের সাথে ধর্মগ্রন্থের বিভিন্ন বিষয়কে তুলে ধরেছেন: যা উপর্যুক্ত সবারই সামনে উপস্থাপন করবে যৌক্তিক পর্যালোচনা। লেখকের মতে, ইতিপূর্বে কোনবিষয়ে সম্যক জ্ঞানের অভাব থাকায়, কোরআনের বিভিন্ন বক্তব্যকে অস্পষ্ট ও দুর্বোধ্য বলে আখ্যায়িত করা হতো, বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কারের সহায়তায় সেসব বিষয়ের ব্যাখ্যা হচ্ছে আরও সহজ,বিস্তৃত। বইটিতে বাইবেলের পুরাতন নিয়ম,তওরাত এর পঞ্চ পুস্তক, বিভিন্ন নবীর কিতাবসমূহ,নতুন নিয়ম,বিশ্বসৃষ্টির ইতিহাস, পৃথিবী সৃষ্টি হতে মানুষের আবির্ভাব, খ্রীষ্টান লেখকদের বিভ্রান্তি, ইঞ্জিলশরীফ, জুড়িও-ক্রিশ্চিয়ানিটি ও সেন্টেপলের উপর বিস্তৃত আলোচনার পাশাপাশি রয়েছে মথি-মার্ক-লুক- যোহন লিখিত চার সুসমাচার ও ইঞ্জিলশরীফের রচনার ইতিহাস ও উৎস সম্পর্কে সুসংবদ্ধ আলোচনা। এ অংশের মধ্যভাগে আছে— সুসমাচার ও আধুনিক বিজ্ঞান, যীশুর বংশ-লতিকা, পরিবর্তন ও পার্থক্য, বিচার-বিশ্লেষণ ও আধুনিক বাইবেল বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য। বাইবেলের নতুন নিয়মের ৫ম ধাপের আলোচনার ড.বুকাইলি তুলে ধরেছেন বর্ণনার স্ববিরোধিতা ও অবাস্তবতা, দিয়েছেন ক্রুশবিদ্ধ যীশুর বিবরণ,যীশুর পুনরুত্থান ও পুনরাবির্ভাব সম্পর্কেও আলোচনা করেছেন। বইটির দ্বিতীয় অংশে রয়েছে কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞানের উপস্থাপিত তথ্যের তুলনামূলক পর্যালোচনা । আকাশমন্ডল ও পৃথিবীর সৃষ্টি,বিশ্বসৃষ্টির ছয় পর্যায়, বিশ্বসৃষ্টি ও আধুনিক বিজ্ঞান, গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ, উৎপত্তি ও বিবর্তন,আন্তঃনাক্ষত্রিক বস্তু,বহির্বিশ্বের ধারণা, কোরআনে এসকল বিষয়ে বর্ণিত তথ্যের পর্যালোচনা। এরপরে বেশ গোছালোভাবে ড.বুকাইলি তুলে ধরেছেন— কোরআন ও আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা: মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, দিনরাত্রির ধারা, কোরআন ও ভূমন্ডলের বিবরণে রয়েছে পৃথিবী সম্পর্কিত সাধারণ ধারণা,ভূ-পৃষ্টের নকশা,ওয়াটার সাইকেল,পরবর্তী অধ্যায়ে আলোচনা করেছেন উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণিবিদ্যা সম্পর্কে, যেখানে রয়েছে প্রজনন তত্ত্ব নিয়ে কোরআন-বিজ্ঞানের তুলনামূলক পর্যালোচনা। সবশেষে রয়েছে কোরআন ও বাইবেল সম্পর্কিত বিস্তৃত আলোচনা,তুলনা এবং সিদ্ধান্ত। সবমিলিয়ে, অনেক অস্পষ্ট বিষয়ের ব্যাখ্যা তো আছেই, কৌতুহলী মনের খোরাক মেটাতে বইটি একটি মাইলফলক হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।