User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By Diganta Mondal

      25 Aug 2022 01:19 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Good

      By Muhammad Abdul Moin Khan

      24 Aug 2022 10:17 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ১৯৬৯ সালের সেই মাতাল সময়ে হুমায়ূন আহমেদ থাকতেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের ৫৬৪ নম্বর রুমে। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান / আন্দোলনের সময় লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তো সে সময় তিনি মিছিল মিটিং এ না গিয়ে ছাত্রশূন্য হলে প্রেমের উপন্যাস পড়ে সময় কাটাতেন। তার দর্শন ছিল - য পলায়তি স জীবিত অর্থাৎ যে পালিয়ে থাকে সে-ই বেঁচে থাকে। একদিন তিনি টমাস হার্ডির লেখা "এ পেয়ার অব ব্লু আইজ" পড়ে রুমে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। হঠাৎ পাশের কোন এক রুম থেকে ডিম ভাজার শব্দ শুনতে পান। এবং এ শব্দের অনুসন্ধান করতে গিয়ে "মিসির আলি" র জন্ম হয়। অনুসন্ধানের ফলাফল হচ্ছে - পরিসংখ্যানের ছাত্র আবু সুফিয়ান এর রুম থেকে শব্দটি এসেছে এবং ডিম ভাজা করেছিল তার নববিবাহিত স্ত্রী যে গত ০৬ মাস এই রুমে লুকোচুরি করে অমানবিকভাবে জীবন যাপন করছে। আবু সুফিয়ানকে বিশ্ববিদ্যালয় দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করে। মাতাল হাওয়া, পৃষ্ঠা - ৩৩, ১৯৩, ১৯৪

      By Suvajit Ghose

      13 May 2022 07:34 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Golpoti bhalo chilo

      By Nasrin Talukder Nuton

      27 Mar 2021 04:51 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      jos akta boi

      By Mahdia Ruza

      21 Mar 2021 11:18 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      হুমায়ন আহমেদ এর বই পড়ে খারাপ লাগবে না করো কখনো । ঠিক তেমনই একটি বই এটা ।

      By Md. Raqibul Alam Rocky

      03 Mar 2021 05:17 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      As usual book of Humayun Ahmed.

      By MD.Ferdous Karim

      05 Sep 2020 01:10 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      মিসির আলির চশমা বই টি কবে অভাইলাবল হবে

      By Shaila

      06 Aug 2020 05:18 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      misir Ali shotti oshadharon character. Emn boi pawa durlov

      By afsarul alam

      17 Nov 2019 11:41 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      মিসির আলি হুমায়ুন আহমেদ এর বহুল পরিচিত দুটি চরিত্রের একটি। মিসির আলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপক। তিনি অত্যন্ত প্রখর বুদ্ধিবল ও গভির যাচাই বাছাই এর মাধ্যমে যেকোনো লজিক এর সমাধান করার চেষ্টা করেন। এখানে সমস্যা তেমন যটিল না হলেও অনেক লজিক আছে। যা সত্যিকারে অসাধারণ।। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। আশা করি বইটি সবাই পছন্দ করবে। যদিও সবাই মিসির আলির ফ্যান।তাকে সবাই পছন্দ করে।এটা দিয়ে আমি মিসির আলি পড়া শুরু করেছিলাম।

      By Tasnim Ara Mim

      31 Oct 2019 07:49 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      মিসির আলি হঠাৎ চোখের সমস্যা তে পড়ে ডাক্তার দেখাতে গেলেন, কিন্তু সেখানে চিকিৎসা করানোর সময় ডাক্তারের হঠাৎ ফোন আসে। তাকে ঝগড়া অবস্থায় দেখে মিসির আলী ধারনা করে ফেলেন, ফোন দিয়েছে ডাক্তারের স্ত্রী এবং তাদের বিবাহ বার্ষিকী। এই কথা ডাক্তার মিসির আলীর মুখ থেকে শোনার পরে বুঝতে পারেন তার রোগী সেই বিখ্যাত বুদ্ধিমান লোক। এরপর ডাক্তার তার স্ত্রী ও মায়ের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন এবং খুব গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার কথা বলেন। কি ছিলো সমস্যা? আর মিসির আলী সমাধান করতে পেরেছিলো?

      By মুনিয়া জামান

      30 Apr 2019 10:45 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারি_রিভিউ_প্রতিযোগ_এপ্রিল বইয়ের নাম: মিসির আলির চশমা লেখক: হুমায়ূন আহমেদ ধরন: ডার্ক ফিকশন প্রকাশনী: প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৬২ মুল্যঃ১৩২ টাকা লেখক পরিচিতিঃ হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই, ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। বই আলোচনাঃ দু’ধরনের মানুষের মধ্যে পাগলামি প্রকাশিত হয়। প্রতিভাবান মানুষ এবং কর্মশূন্য মানুষ। মিসির আলি প্রতিভাবান মানুষ। তাঁর মধ্যে পাগলামি প্রকাশিত হওয়াটাই স্বাভাবিক এবং হাসপাতালের বিছানায় তা পূর্ণমাত্রায় প্রকাশিত হলো। তিনি এত বিষয় থাকতে ‘ভূত নিয়ে প্রবন্ধ লেখা শুরু করলেন। অতি ব্যস্ত প্রবন্ধকার। যখনই তাঁর কাছে যাই তাঁকে। প্রবন্ধের কোনো বিষয় নিয়ে ব্যস্ত দেখি। হাসপাতালে তাঁর কিছু ভক্ত জুটে গেল। এর মধ্যে একজন নার্স, নাম— মিতি। তার প্রধান এবং একমাত্র দায়িত্ব হয়ে দাঁড়াল মিসির আলিকে গল্প শোনানো। জানা গেল তার গ্রামের বাড়ি (নয়াবাড়ি শ্রীপুর) ভূতের হোস্টেল। এমন কোনো ভূত নাই, যে এই মেয়ের গ্রামের বাড়িতে থাকে না। কুয়াভূত নামে এক ভূতের নাম তার কাছেই শুনলাম। এই ভূত থাকে কুয়ায়। হঠাৎ হঠাৎ কুয়া থেকে উঠে কুয়ার পাড়ে বসে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ায়। মানুষজনের শব্দ শুনলে ঝপাং করে কুয়ায় ঝাপ দিয়ে পড়ে।সাতটার মধ্যে ঢাকা শহরের সব রাস্তায় পানি। এই ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে কাটায় কাটায় সাতটায় শায়লা উপস্থিত হলেন। তখনি। ইলেকট্রিসিটি চলে গেল। আমার মাথায় হাত। ইলেকট্রিসিটি ছাড়া বিখ্যাত ইস্ত্ৰি ইলিশ তৈরি হবে না। বসার ঘরের টেবিলে মোমবাতি জ্বালানো হয়েছে। মোমবাতির আলোয় শায়লা নামের মহিলাকে অপরূপ দেখাচ্ছে। অধ্যাপিকারা পড়াতে জানেন, সাজতে জানেন না কথাটা ঠিক না। শায়লা অতি বিনয়ের সঙ্গে মিসির আলিকে কদমবুসি করতে করতে বললেন, ভুলভাল চিঠি লিখে আপনাকে বিরক্ত করেছি। বাবা আমাকে ক্ষমা করেছেন তো? মিসির আলি হাসলেন। শায়লা বললেন, ক্ষমা করে থাকলে মাথায় হাত রাখুন। মিসির আলি মাথায় হাত রাখলেন। সুন্দর সন্ধ্যা শুরু হলো। আমরা তিনজন একসঙ্গে বসেছি। আমাদের সামনে লেবু চা। ঝড়-বৃষ্টির রাতে লেবু চায়ে চুমুক দিতে অসাধারণ লাগছে। খোলা জানালা দিয়ে ঠাণ্ডা হাওয়া আসছে। হাওয়ায় মোমবাতির শিখা কাঁপছে। এখন মনে হচ্ছে ঝড়-বৃষ্টির রাতে ইলেকট্রিসিটি চলে যাওয়া এমন খারাপ কিছু না। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ মিসির আলি, বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় রহস্যময় চরিত্র। মিসির আলি কাহিনীগুলো রহস্যমাত্রিক। মিসির আলির কাহিনীগ‌ুলো ঠিক গোয়েন্দা কাহিনী নয়, কিংবা 'ক্রাইম ফিকশন' বা 'থ্রিলার'-এর মতো খুনি-পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক, বিজ্ঞাননির্ভর এবং প্রচন্ড যুক্তিনির্ভর কাহিনীর বুনটে বাঁধা। বরং অনেক ক্ষেত্রে একে রহস্যগল্প বলা চলে। চারিত্রিক দিক দিয়ে মিসির আলি চরিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের আরেক অনবদ্য সৃষ্টি হিমু চরিত্রটির পুরোপুরি বিপরীত। তরুণ হিমু চলে প্রতি-যুক্তির তাড়নায়, অপরপক্ষে বয়োজ্যেষ্ঠ মিসির আলি অনুসরণ করেন বিশ‌ুদ্ধ যুক্তি। এই যুক্তিই মিসির আলিকে রহস্যময় জগতের প্রকৃত স্বরূপ উদঘাটনে সাহায্য করে। সেসব কাহিনীর প্রতিফলন ঘটেছে মিসির আলি সম্পর্কিত প্রতিটি উপন্যাসে। তাই প্রতিটি গল্প অসাধারণ এক কথায়।

      By Nafim Ul Abir

      26 Apr 2019 10:54 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইয়ের নাম: মিসির আলির চশমা লেখক: হুমায়ূন আহমেদ ধরন: ডার্ক ফিকশন প্রকাশনী: প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৬২ . জনরা পরিচিতি: ডার্ক ফিকশন জনরাটাকে অনেকটা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারের কাতারে ফেলা যায়। থ্রিলারের সাথে এর মূল পার্থক্য হলো, থ্রিলারে চরম উত্তেজনা থাকে, উত্তেজনা দিয়ে পাঠককে আনন্দ দেওয়াই হয় মূল উদ্দেশ্য। সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে থ্রিলিং-এর পাশাপাশি মানুষের মানসিক দিক, তার টানাপোড়েন, ইত্যাদি দেখানো হয়। কিন্তু ডার্ক ফিকশনে থ্রিলারের উত্তেজনার কিছুই থাকে না। ঘটনাপ্রবাহ খুব স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে চলে। শুধু মাঝখানে মনোবিজ্ঞান, মানসিক টানাপোড়েন; অর্থাৎ মানুষের মস্তিষ্কের অন্ধকার দিক, মাইন্ড গেম ইত্যাদি দেখানো হয়। এবং বেশিরভাগ গল্পেরই কোনো এন্ডিং থাকে না। এ ধরনের গল্পে কোনো থ্রিল না থাকায় একে থ্রিলারের কাতারে ফেলা হয় না। মূলত থ্রিল নয়, বাস্তব জীবনকে কেন্দ্র করেই এর ঘটনাপ্রবাহ আবর্তিত হয়। . বাংলা ভাষায় সম্ভবত মিসির আলি সিরিজই একমাত্র ডার্ক ফিকশন সিরিজ, কেননা এর পরবর্তী সাইকোলজিক্যাল গল্পগুলোর বেশিরভাগই সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, সাইকো টাইপ গল্প। . . মিসির আলি সিরিজ: হুমায়ূন আহমেদের হিমু সিরিজের পরেই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলো মিসির আলি সিরিজ। ছন্নছাড়া প্রকৃতির মানুষ মিসির আলি, অকৃতদার। একই সাথে গর্তজীবী একজন চরিত্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টটাইম টিচার ছিলেন একসময়, এখন কিছুই করেন না। মাঝে-মাঝেই বিচিত্র কিছু সমস্যা আসে তার কাছে। প্রকৃতির রহস্যময়তার ব্যাপারে আরো একবার নিশ্চিত হন তিনি। রহস্য ভেদ করেন, অথচ তার নিজের জীবনটাই রহস্যে ভরা। গোয়েন্দা কিংবা রহস্যভেদী বলতে আমরা যাকে চিনে থাকি, তিনি মোটেও সেরকম নন। ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলতে গেলে তার বাথরুম পায়, কখনো-কখনো বিরক্ত হয়ে অতিথিকে আসতে বলেন তিনি। ভালো-মন্দ মিশিয়েই মানুষের চরিত্র, আর তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ একজন মিসির আলি। ধারণা করা হয়, হুমায়ূন আহমেদ যুবক বয়সে হিমু ছিলেন, এবং বৃদ্ধ বয়সে হয়েছেন মিসির আলি! রহস্যময়তার চাদরে মোড়া এই মানুষটির মৃত্যুও হয়তো হুমায়ূন আহমেদের সাথেই হয়েছে! . কাহিনি সংক্ষেপ: জনৈক ডাক্তার, হারুন সাহেব বিশ্বাস করেন তার মা তার মৃত্যুর পর তার পাশেই আছেন। মায়ের আত্মা সবসময়ই তাকে সাহস জোগায়, প্রেরণা দেয়, এবং একই সাথে আসন্ন বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করে! এই চোখের ডাক্তারের কাছে মিসির আলি গিয়েই জানতে পারলেন, ডক্টর হারুনের মা তাকে বলেছেন, তার স্ত্রী নাকি তাকে ম্যারেজ ডে তে পটাসিয়াম সায়ানাইড খাইয়ে হত্যা করবেন। কেমিস্ট্রির শিক্ষক শায়লা মিসির আলিকে দীর্ঘ একটা চিঠি লিখলেন। বিষয়বস্তু হলো—হারুনের সন্তান এক রহস্যময় উপায়ে মারা গেছে। শায়লার রহস্যময় শাশুড়ি পুরো ব্যাপারটাকে লুকিয়ে ফেললেন। শায়লা চাচ্ছেন মিসির আলি তার পুত্রের মৃত্যুরহস্য সমাধান করুক। এ পর্যায়ে গল্পে হুমায়ূন আহমেদ নিজে ঢুকে গেলেন। তিনি প্রায়ই মিসির আলির গল্পে ঢুকতে ভালোবাসেন। হুমায়ূন আহমেদ পুরো চিঠি মন দিয়ে পড়লেন, নিজেই রহস্যভেদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন। জানা গেলো, ডক্টর হারুনের কোনো সন্তানই হয়নি! জট খুলতে গিয়ে জট আরো বেশি পাকিয়ে গেলো। মিসির আলি ভজকট বাঁধিয়ে দিলেন জালাল আহমেদের প্রসঙ্গ এনে। চিঠিতে পরোক্ষভাবে জালাল আহমেদের ইঙ্গিত আছে, যে কিনা কফি খেতে-খেতে মারা গিয়েছিলো। রহস্যভেদের বোঝাতে পর্যদুস্ত হুমায়ূন আহমেদকে একটা চিরকুট দিলেন মিসির আলি, বলে দিলেন, রহস্যভেদের আগে এই কাগজ কখনোই খোলা যাবে না। কৌতূহল দমাতে না পেরে কাগজটা খুলেই ফেললেন হুমায়ূন আহমেদ। কী লেখা আছে তাতে? কে শায়লার সন্তানের হত্যাকারী? চিঠিটা কি আদৌ সত্যি? নাকি শুধুই একটা প্রহসন? জালাল আহমেদের সাথে শায়লার সম্পর্ক কী? . পাঠের পোস্টমর্টেম: প্রথমত, সাইকোলজিক্যাল উপন্যাস অর্থাৎ ডার্ক ফিকশন আমার অনেক পছন্দের একটি জনরা। সেই হিসেবে পাঠক হিসেবে মিসির আলিকে আমি যে লুফে নিবো তা বলাই বাহুল্য। দ্বিতীয়ত, হুমায়ূন আহমেদের রচনাগুলো এমন, যেটার মাঝে কোনো টুইস্ট নেই, কোনো থ্রিল নেই; কিন্তু একটা ছন্দ আছে। সাইকো গল্প বলতে আমরা যা বুঝি—খুন, ধর্ষণ—অর্থাৎ বাস্তব জীবন থেকে বহু দূরে থাকা—মিসির আলি সিরিজে তার ছিঁটেফোঁটাও ছিলো না। হুমায়ূন আহমেদ একেবারে আমাদের জীবনটাকে তুলে এনেছেন—যাতে মনে হয় আরে এ জীবনটা তো আমাদেরই, মনে হয় যেন মানসিক সমস্যাগুলোও আমাদের সাথেই ঘটছে। আরেকটা বৈশিষ্ট্য হলো এই সিরিজে মিসির আলি তার ক্লায়েন্টদের সমস্যাগুলোকে তাদের সমস্যা হিসেবে দেখেন না, দেখেন নিজের সমস্যা হিসেবে। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েও তিনি সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তা করেন। তার গল্পে গভীর জীবনবোধ প্রকট। মায়া-মমতার স্থান সেখানে তুঙ্গে। আর ‘মিসির আলির চশমা’ উপন্যাসে এই ব্যাপারটি আরো বেশি করে ফুটে উঠেছে। চতুর্থত, গল্পের শুরুতেই আগ্রহ সৃষ্টি করতে পেরেছেন লেখক। গল্পটা শুরু হয়েছে এভাবে—‘অদ্ভুত এক যন্ত্র।’ এটুকু পড়লেই প্রশ্ন জাগে—যন্ত্রটা কী? কেন সেটা অদ্ভুত? আর ভাবনাগুলোই বা কার মাথায় তৈরি হচ্ছে? এর পরের প্যারাতে লেখা—‘যন্ত্রে বাটির মতো জায়গা, বাটিতে থুতনি রেখে চোখ মেলে তাকিয়ে থাকতে হয়। যন্ত্রের ভেতর থেকে ক্ষণে-ক্ষণে তীব্র আলো এসে চোখের ভেতর ঢুকে যায়। তখন বুকের ভেতর ধক করে ওঠে। মনে হয় কেউ একজন তীক্ষ্ম এবং লম্বা একটা সুচ চোখের ভেতর দিয়ে মগজে ঢোকানোর চেষ্টা করছে।...’ এটুকুতেও লেখক যন্ত্রটা কী এবং ভাবনাগুলো কার এটা খোলাসা করেন নি। অর্থাৎ একটা রহস্য রেখে দিয়েছেন, যাতে গল্পটা পড়তে পাঠক আগ্রহ পায়। আর পঞ্চমত: গল্পে কোনো টার্ন ছিলো না। জানাই ছিলো শেষে কী হবে। কিন্তু এই জানার মধ্যেও যে একটা গণ্ডগোল ছিলো, সেটা হুমায়ূন আহমেদ আমাকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। যাক, এই বিষয়ে বেশি কথা বলবো না, স্পয়লার হয়ে যাবে। . তবে বেশ কিছু জায়গা বেশ বিরক্তিকর ছিলো। যেমন, দুটো প্যারার পর ‘আমি বললাম’ কিংবা ‘হারুন সাহেব বললেন’ কথাটা বিলুপ্ত হওয়ার দরকার ছিলো। কারণ পাঠককে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কথোপকথনকারী কারা। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ প্রায় প্রতি প্যারাতেই ‘আমি বললাম’, ‘মিসির আলি বললেন’ ধরনের শব্দের অবতারণা করেছেন। এছাড়া অতিরিক্ত ইংরেজি শব্দের ব্যবহারও চোখে পড়ার মতো। Experiment, Oh God, Stop Watch ইত্যাদি শব্দ এক্সপেরিমেন্ট, ওহ গড বা স্টপওয়াচ লেখা যেতো। . যতো যাই হোক, বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ, কলম জাদুকর হুমায়ূন আহমেদকে যে নিছক মজা করেই এসব উপাধি দেওয়া হয়নি, সেটা এই বই পড়লেই বুঝতে পারবেন আশা করি! . হ্যাপি রিডিং :-)

      By Aftahi Nayan

      12 Nov 2018 01:38 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইঃ মিসির আলীর চশমা লেখকঃ হুমায়ুন আহমেদ ধরনঃ উপন্যাস মূল্যঃ ১৩২ টাকা রহস্য আর উদঘাটন এই নিয়েই মিসির আলী। মিসির আলি পড়লেই হাড়িয়ে যেতে হয়।মিসির আলীর আরেকটি উপখ্যান। মিসির আলি এমনই এক চরিত্র,যার তুলনা সে নিজেই। আমাদের চারপাশের অমীমাংসিত কুহেলিকাময় কিংবা রহস্যের মোড়কে আবৃত অনেক ঘটনায় আমরা যখন বিমূঢ়, নির্বাক কিংবা বিশ্বাস করতে থাকি অসত্যকে, তখনই মিসির আলি খুলতে থাকে অমোঘ নিয়তির একেকটি পর্দা। মিসির আলীর চশমা উপন্যাসের কাহিনী শুরু হয় ডাক্তার হারুন নামের এক চোখের ডাক্তার এর চেম্বারে মিসির আলীর চোখ পরীক্ষা এর ঘটনা দিয়ে। ডাক্তার হারুন মিসির আলী এর চোখ পরীক্ষা করার ফাঁকে মোবাইলে স্ত্রীর সাথে বাদানুবাদে লিপ্ত হয়। এ থেকে মিসির আলী ধারনা করে আজকে তাদের বিবাহের বর্ষপূর্তি । একথা ডাক্তারকে জানানোর পর ডাক্তার মিসির আলীকে চিনতে পারেন ও গাড়িতে লিফট দেয়ার প্রস্তাব দেন। গাড়িতে যেতে যেতে ডাক্তার তার এক সমস্যা মিসির আলীকে বলেন। আর সেটা হল যে ডাক্তারের মৃত মা সবসময় ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ রাখেন এবং তার স্ত্রী তাকে খুন করবে এ কথা বলতে থাকেন ক্রমাগত। মিসির আলী ডাক্তার হারুনের স্ত্রীর কাছ থেকে এক দীর্ঘ চিঠি পান যাতে লেখা থাকে ডাক্তার হারুন মায়ের মৃত্যুর আগে থেকেই অতিরিক্ত মাতৃভক্ত ছেলে ছিলেন। এবং মৃত্যুর পরও মায়ের আত্মা তার সাথে থাকে। এই মানসিক সমস্যার কারনে তাদের দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হচ্ছে। মিসির আলী এই সমস্যা নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের সাথে আলোচনা করেন। এবং তাকেও কিছু কিছু কাজের দায়িত্ব দেন। সমস্যা নিয়ে তাকেও ভাবতে বলেন। শেষ পর্যন্ত মিসির আলী সমস্যার কি সমাধান করলেন। হারুন তার মায়ের আত্মার কাছ থেকে মুক্তি পেল কিনা। শায়লার রহস্য কি। শিশুটির কি হয়েছিল। এ সব কিছু জানতে হলে পড়তে হবে পুরো বইটি...

      By Wasifa Zannat

      02 Aug 2016 06:58 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      মিসির আলিরর চোখের ডাক্তার হারুন।প্রথম দিনেই মিসির আলির সাথে অনেক কথা হয় ডাক্তার হারুনের সাথে। ডাক্তার হারুন মিসির আলি সম্পর্কে তেমন কিছু জানতেন না।কিন্তু তিনি তার স্ত্রীরর কাছে মিসির আলির কথা শুনেছেন। তার স্ত্রী মিসির আলির একজন ভক্ত।মিসির আলির প্রায় সব বই তার পড়া। ডাক্তার হারুন যখন মিসির আলির পরিচয় পেলো তখন অনেক কথা হল মিসির আলির। মিসির আলিকে বাসা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসে। ডাক্তার হারুন একটু অন্য রকম মানুষ। রহস্যময় অদ্ভুত রকমের মানুষ ডাক্তার হারুন। তিনি মনে করেন তার মৃত মার আত্মা তার সাথে থাকে। সে তার মায়ের আত্মার সাথে কথা বলে।তবে সব সময় না যখন তার সামনে কোন মহা বিপদ আসে তখন তার মার আত্মা আসে এবং তাকে সাবধান করে দেয়।মিসির আলির সঙ্গে যখন ডাক্তার হারুনের সাথে পরিচয় হয় তখনও তার সাথে তার মার আত্মা ছিল। তখন মিসির আলি জানতে চায়, এখন আপনার সামনে কি বিপদ তা কি আপনার মা বলেছে।হারুন বলেন হ্যাঁ এবং কি ঘটবে তাও বলেছে মা। কি ঘটতে যাচ্ছে আপনার সাথে? হারুন বলেন আমি খুন হয়ে যাব।কেউ একজন আমাকে খুন করবে। কে খুন করবে তাও জানি।আমার মা আমাকে বলেছেন।কে আপনাকে খুন করবে জানতে পারি? হারুন বলেন কে খুন করবে তা জেনে কি করবেন। মিসির আলি উত্তর দেন, কৌতুহল থেকে প্রশ্নটা করেছি।হারুন বলেন আমাকে খুন করবে আমার স্ত্রী। তার নাম শায়লা।

      By murad

      11 Jun 2016 03:08 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      মিসির আলীর আরেকটি উপাখ্যান মিসির আলি এমনই এক চরিত্র,যার তুলনা সে নিজেই। আমাদের চারপাশের অমীমাংসিত কুহেলিকাময় কিংবা রহস্যের মোড়কে আবৃত অনেক ঘটনায় আমরা যখন বিমূঢ়, নির্বাক কিংবা বিশ্বাস করতে থাকি অসত্যকে, তখনই মিসির আলি খুলতে থাকে অমোঘ নিয়তির একেকটি পর্দা। মিসির আলীর চশমা উপন্যাসের কাহিনী শুরু হয় ডাক্তার হারুন নামের এক চোখের ডাক্তার এর চেম্বারে মিসির আলীর চোখ পরীক্ষা এর ঘটনা দিয়ে। ডাক্তার হারুন মিসির আলী এর চোখ পরীক্ষা করার ফাঁকে মোবাইলে স্ত্রীর সাথে বাদানুবাদে লিপ্ত হয়। এ থেকে মিসির আলী ধারনা করে আজকে তাদের বিবাহের বর্ষপূর্তি । একথা ডাক্তারকে জানানোর পর ডাক্তার মিসির আলীকে চিনতে পারেন ও গাড়িতে লিফট দেয়ার প্রস্তাব দেন। গাড়িতে যেতে যেতে ডাক্তার তার এক সমস্যা মিসির আলীকে বলেন। আর সেটা হল যে ডাক্তারের মৃত মা সবসময় ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ রাখেন এবং তার স্ত্রী তাকে খুন করবে এ কথা বলতে থাকেন ক্রমাগত। মিসির আলী ডাক্তার হারুনের স্ত্রীর কাছ থেকে এক দীর্ঘ চিঠি পান যাতে লেখা থাকে ডাক্তার হারুন মায়ের মৃত্যুর আগে থেকেই অতিরিক্ত মাতৃভক্ত ছেলে ছিলেন। এবং মৃত্যুর পরও মায়ের আত্মা তার সাথে থাকে। এই মানসিক সমস্যার কারনে তাদের দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হচ্ছে। মিসির আলী এই সমস্যা নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের সাথে আলোচনা করেন। এবং তাকেও কিছু কিছু কাজের দায়িত্ব দেন। সমস্যা নিয়ে তাকেও ভাবতে বলেন। শেষ পর্যন্ত মিসির আলী সমস্যার কি সমাধান করলেন। হারুন তার মায়ের আত্মার কাছ থেকে মুক্তি পেল কিনা। শায়লার রহস্য কি। শিশুটির কি হয়েছিল। এ সব কিছু জানতে হলে পড়তে হবে পুরো বইটি...

      By Mushfiqur Rahman Sadi

      17 Jun 2020 11:48 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটি একবসায় পড়ে শেষ করেছি। বইটি পাঠককে শেষ অব্দি ধরে রাখতে পারবে। মিসির আলি হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট বিখ্যাত চরিত্রগুলোর একটি। অসম্ভব রহস্যময় একটি চরিত্র। প্রচন্ড বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন মিসির আলি এবারও সব রহস্যের জট খুলে দিলেন। বইটির শেষাংশ সব পাঠকের কাছেই খুব ভালো লাগবে। বইটির বাইরের কভারটি বেশ আলগা ছিলো বিধায় পড়তে গিয়ে বেশ কয়েকবার ঢিলে হয়ে উপরে উঠে গিয়েছে। বোধহয় ব্যাপারটি শুধু আমার সঙ্গেই ঘটেছে। অন্য বইগুলোয় এমন হবেনা আশা করি এবং এটি কোনো বড় ধরণের সমস্যা নয়। বইটির কাগজের মান বেশ ভালো। বইটি পড়বার অনুরোধ রইলো।

      By Argho Samanta

      07 Apr 2020 05:46 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      খুব সুন্দর একটা গল্প ।

      By Mahbubur Rashid

      17 Jun 2023 12:47 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      মিসির আলি চশমা বইটা সেইইই!

    • Was this review helpful to you?

      or

      হুমায়ূন আহমেদসুলভ উপন্যাস। রহস্য খুব কঠিন না। বইটার উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে লেখক নিজেই মিসির আলির সাথে রহস্য সমাধানের চেষ্টা করেন। শেষটা একটু এলোমেলো করে দিয়েছে। তবু সুখপাঠ্য।

      By Tanzila

      26 May 2014 12:00 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      মিসির আলী হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট দুটি মহান চরিত্রের একটি। প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও সবকিছু অবলোকন করার অসাধারন ক্ষমতার অধিকারী। রহস্য নিয়ে ভাবা ও সমাধান করা যার শখ বলা যায়। এ উপ্মিন্ন্যাসে বাড়তি প্রাপ্তি হল হুমায়ন আহমেদ এর নিজের ও চরিত্র হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন। মিসির আলীর চশমা উপন্যাসের কাহিনী শুরু হয় ডাক্তার হারুন নামের এক চোখের ডাক্তার এর চেম্বারে মিসির আলীর চোখ পরীক্ষা এর ঘটনা দিয়ে। ডাক্তার হারুন মিসির আলী এর চোখ পরীক্ষা করার ফাঁকে মোবাইলে স্ত্রীর সাথে বাদানুবাদ এ লিপ্ত হয়। এ থেকে মিসির আলী ধারনা করে আজকে তাদের বিবাহের বর্ষ পূর্তি । একথা ডাক্তার কে জানানোর পর ডাক্তার মিসির আলী কে চিনতে পারেন ও গাড়িতে লিফট দেয়ার প্রস্তাব দেন।গারিতে যেতে যেতে ডাক্তার তার এক সমস্যা মিসির আলী কে বলেন আর সেটা হল যে ডাক্তার এর মৃত মা সবসময় ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ রাখেন এবং তার স্ত্রী তাকে খুন করবে এ কথা বলতে থাকেন ক্রমাগত। মিসির আলী ডাক্তার হারুন এর স্ত্রীর কাছ থেকে এক দীর্ঘ চিঠি পান যাতে লেখা থাকে ডাক্তার হারুন মায়ের মৃত্যুর আগে থেকেই অতিরিক্ত মাতৃ ভক্ত ছেলে ছিলেন। এবং মৃত্যুর পরও মা য়ের আত্মা তার সাথে থাকে এই মানসিক সমস্যার কারনে তাদের দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হচ্ছে।আরো লিখা থাকে যে তাদের একমাত্র সন্তানের মৃত্যু সবভাবিক নয়। এবং ডাক্তারের স্ত্রী শায়লা সন্দেহ করেন এর পিছনে তার শাশুরী দায়ী। সে এই সমস্যার সমাধান চান মিসির আলী এর কাছে। মিসির আলী এই সমস্যা নিয়ে হুমায়ুন আহমেদ এর সাথে আলোচনা করেন। এবং তাকেও কিছু কিছু কাজের দায়িত্ব দেন। সমস্যা নিয়ে তাকেও ভাবতে বলেন। শেষ পর্যন্ত মিসির আলী সমস্যার কি সমাধান করলেন। হারুন তার মায়ের আত্মা এর কাছ থেকে মুক্তি পেল কিনা। শায়লার রহস্য কি। শিশুটির কি হয়েছিল। এ সব কিছু জানতে হলে পরতে হবে পুরো বইটি... মিসির আলী এর অন্যান্য বই এর মতোই এক বার শুরু করলে শেষ না করে। রহস্য এর সমাধান না জেনে কোনো ভবেই বইটি হাত থেকে রাখা যাবেনা। আরো একবার হুমায়ুন আহমেদ প্রমান করলেন তার সৃষ্ট চরিত্র মিসির আলি অসাধারন সৃষ্টি...

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!