User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By অবনী সিমরান

      27 Feb 2017 06:27 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইয়ের নামঃ ইছামতী লেখকঃবিভূতিভূষণ চট্রোপাধ্যায় প্রকাশনীঃদি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেজ ধরনঃচিরায়ত উপন্যাস মূল্যঃ৪৮০ টাকা( রকমারি মূল্যঃ৩৬০ টাকা) . ১২৭০ সালের জল সরে গিয়েছে সবে| এসময়েই শুরু "ইছামতী"উপন্যাসের কাহিনী|অবারিত সবুজের বুক চিরে বয়ে চলা ইছামতী নদীর মতোই বয়ে চলেছে এর কাহিনী, হয়ে উঠেছে ইতিহাসের এক আশ্চর্য নিদর্শন। . ইছামতী নদী, মোল্লাহাটির নীলকুঠি , সবুজ প্রান্তর আর এর উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা সাধারণ গ্রাম্য মানুষ এ উপন্যাসের বিষয়। . এতে রয়েছে ভবানী বাঁড়ুয্যের কথা , সন্ন্যাসী হতে গিয়েও যিনি ফিরে এসেছিলেন সমাজের সেবা করবেন বলে।ফিরে এসে তিনি বিয়ে করেন দেওয়ান রাজারামের তিন ভগ্নীকে। গল্পের বিশাল অংশ জুড়ে আছে নীল ব্যবসায়ের বর্ণনা। একসময়ের রমরমা নীল ব্যবসায়ের ভগ্নদশা। . ১০০ বছর বা তার কিছু আগে আমাদের গ্রাম বাংলার অবস্থা কেমন ছিলো। জাত-পাতের শেকলে আটকে পড়া সাধারণ হিন্দু পরিবারের কথা বাদ দিয়েই ব্রাক্ষণদের অর্থনৈতিক অবস্থাও যে ভালো ছিলো না তার ছবি ফুটে উঠেছে বিভূতির কলমের আঁচড়ে। দেশে তখন চলছিলো ইংরেজ শাসন। তখন ইংরেজ সাহেবদের দেখলে সাধারণ মানুষ কেবল পথই ছেড়ে দিতো না, রীতিমত পালাত। আর তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলো এঅঞ্চলের কিছু মানুষ, তারা ইংরেজ শাসন টিকিয়ে রাখতে এবং নিজেদের অবস্থা ভালো করার জন্যে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার চালাতো, এমনকি খুনও। . ইছামতীতে ইংরেজদের নীল চাষের সেই নিষ্ঠুর অধ্যায় ধরা পড়েছে ভেতর থেকে। আবার এই উপন্যাসে ইংরেজ এবং তাদের তাবেদার এদেশীয় দেওয়ানদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ফুঁসে ওঠার বর্ণনাও আছে। মোল্লাহাটির নীলকুঠির বড় সাহেব পথ দিয়ে যাবেন বলে গ্রামের সাধারণ মানুষ, মাথায় মোট নিয়ে হাটে হাটে ঘুর বেড়ানো নালু পাল সব ফেলে রেখে ফসলের ক্ষেতে লুকিয়ে ছিলো। কালক্রমে সেই নালু পাল যখন ওই এলাকাল সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী হয়ে ওঠে, আর নীলকুঠির আলো একটু একটু করে নিবতে থাকে, তখন সেই নালুর কাছেই বিক্রি করতে হয় ওই কুঠি। বাংলার পথে পথে, জনপদে ইংরেজ সাহেবরা তখন বাঙালি দেওয়ান আর সঙ্গে চাবুক নিয়ে ঘুরতো। সাহেবী চাবুকের তেজ আর আঘাত এমনি নিষ্ঠুর ছিলো যে মানুষ নাম দিয়েছিলো ‘শ্যামচাঁদ’। এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের গায়ে সেই শ্যামচাঁদের ঘা পড়তো যখন-তখন, পান থেকে চুন খসলেই। কত কষ্ট, কত লাঞ্ছনা, অপমান আর সংগ্রামের ইতিহাস আমাদের। . #পাঠ_প্রতিক্রিয়াঃ ১৯৫১ সালে ইছামতী উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার রবীন্দ্র পুরস্কার (মরণোত্তর) লাভ করেন। ইছামতী না পড়লে জানাই হতো না দেড়শ’ বছর আগে ইছামতী নদীর দুপারের মানুষের সেই জীবন কথা। আর যদি বিভূতিভূষণ না লিখতেন এই উপন্যাস তাহলে প্রকৃতি ফুটে উঠতো না এমনি করে।সুন্দর একখান বই।পড়তে পারেব ভাল লাগবে আশা করছি। হাপি রিডিং....

      By maruf morshed

      21 Jan 2017 08:44 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ইছামতী-বুক মিভিউঃ উপন্যাস নয়, যেন নদীর বুকে ঢেউ। ঢেউ বইতেই থাকে। নৌকার দুলুনি, ঝড়ের বেগে মাঝে মাঝে জীবন কেপে উঠে, কেউবা ছইয়ের উপরে আকাশে মেঘ দেখে পুলকিত হয়। পুরো উপন্যাসে কোন কাহিনী নেই, কোন নায়ক নেই নায়িকা নেই। নায়ক নায়িকা খলনায়ক সবই যেন সময়, সময়ের তালে বয়ে চলা নদীর ঢেউ। প্রথমে মনে হয়েছিল যে হয়তোবা পদ্মানদীর মাঝির মত জেলেদের জীবনী পড়ব। বিশাল সৌভাগ্য লেখক পুরো জীবনটাই ঘুরিয়ে এনেছেন। কখনো মনটা বিষিয়ে উঠেনি, কখনো খুব আনন্দ হয়নি। এ যেন নদীর মত জীবন-জোয়ার আসে ভাটা আসে-নদী বইতেই থাকে। কিছু লাইন তুলে না দিলে মনে শান্তি পাচ্ছিনা তাই তুলে দিলামঃ “ভগবানের একটি অপূর্ব শিল্প এর দুই তীর, বনবনানীতে সবুজ, পক্ষী-কাকলিতে মুখর” “কত সুখদুঃখের অলিখিত ইতিহাস বর্ষাকালে জলধারাঙ্কিত ক্ষীণ রেখার মতো আকা হয় শতাব্দীতে শতাব্দীতে এদের বুকে। সূর্য আলো দেয়, হেমন্তের আকাশ শিশির বর্ষণ করে, জ্যোৎস্না-পক্ষের চাঁদ জ্যোৎস্না ঢালে এদের বুকে” ভবানী বাড়ুয্যে, রাজারাম, বড়সাহেব, নালু পাল, নিলু তিলু, নিস্তারিনী-সবই সেই ইছামতী নদীর অংশ। “যে কত আশা করে কলাবাগান করেছিল উত্তর মাঠে, দোয়াড়ি পেতেছিল বাশের কঞ্চি চিড়ে বুনে ঘোলডুবির বাঁকে, আজ হয়তো তার দেহের অস্থি রোদবৃষ্টিতে সাদা হয়ে পড়ে রইল ইছামতীর ডাঙ্গায়” নাহ আর কিছু বলার নেই। হাজার বছর বার বার পড়ে-সেই রাতের আধারে পিদিমের আলোর যে ছবি চোখে ভেসে উঠত, সেই রকম ভেসে উঠছে কাশফুলের সেই মাঠ দিয়ে কেউ আমাদের বয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যেখানে মৃত্যু চিরসত্য, নদী ইছামতী চিরবহমান। [[[বিঃদ্রঃ একটা কথা বলেই রাখি, লেখক তো আমাদের চিনতেন না। বাবা আজ ইছামতীও মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। কবে জানি নাকি নতুন বউ তার বরের ঘরে সবাই ঘুমুলে যেত, তার আগে দেখাও করতে পারত না। আজ যান দেইখা আসেন-চটপটি খাইতেছে, আর গল্প করতেছে।অফটপিক অফটপিক]]] বাংলা বই আপাতত পড়া বন্ধ। রিভিউ লেখা নেশা পেয়ে বসেছে। ইছামতি মাঝখানে টেক্সট বই মনে হচ্ছিল। 

      By aadeeba

      28 May 2014 12:16 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ১২৭০ সালের জল সরে গিয়েছে সবে| এসময়েই শুরু 'ইছামতী' উপন্যাসের কাহিনী|অবারিত সবুজের বুক চিরে বয়ে চলা ইছামতী নদীর মতোই বয়ে চলেছে এর কাহিনী, হয়ে উঠেছে ইতিহাসের এক আশ্চর্য নিদর্শন|বিভূতিভূষণ যাকে বলেছেন আমাদের আসল ইতিহাস; মূক জনগনের ইতিহাস, রাজারাজড়াদের বিজয়কাহিনী নয়| তাঁর জীবনী থেকে জানা যায় , ত্রিশের দশকের শুরুতে এই উপন্যাস লেখার প্রস্তুতি নিলেও ঘটনাক্রমে এটি প্রকাশ পায় ১৯৪৯ সালে|ইছামতী নদী, মোল্লাহাটির নীলকুঠি , সবুজ প্রান্তর আর এর উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা সাধারণ গ্রাম্য মানুষ এ উপন্যাসের বিষয়| এ অঞ্চলের ইতিহাস খুঁজে বেড়িয়েছেন তিনি, অর্ধশত বছর আগের কাহিনীকে মূর্ত করে তুলেছেন আমাদের চোখের সামনে|এতে আছে ভবানী বাঁড়ুয্যের কথা , সন্ন্যাসী হতে গিয়েও যিনি ফিরে এসেছিলেন সমাজের সেবা করবেন বলে| গল্পের বিশাল অংশ জুড়ে আছে নীল ব্যবসায়ের বর্ণনা | একসময়ের রমরমা নীল ব্যবসায়ের ভগ্নদশা কী করে এলো, লেখকের কলমের আঁচড়ে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে| আর অবধারিতভাবেই আছে বিভূতিভূষনের লেখার জাদুতে আঁকা প্রকৃতির বর্ননা; বইয়ের দু'মলাটের মধ্য থেকেই পাঠক যেন পৌঁছে যান ইছামতীর কূলে, সুকুমার লতাবিতানের কাছে! ইতিহাসআশ্রয়ী উপন্যাস রচনার শুরুটাও কিন্তু ইছামতীর পথ ধরেই!এরপর প্রকাশিত হয়েছে বহু বিখ্যাত ইতিহাসভিত্তিক বাংলা উপন্যাস| তবে পরিসংখ্যানের কথা থাক, অলস দুপুরে নির্জনে বসে কল্পনার রাজ্যে হারাতে হলে 'ইছামতী' হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ| ২০১২ সালে বইটি প্রকাশ করেছে ইউপিএল|

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!