User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
বিষয়ভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ লিটল ম্যাগাজিনের ইতিহাসে নতুন নয়। ‘নতুনতর’ বিষয়ভিত্তিক সংখ্যার প্রচলন ঘটালেন কবি শিহাব শাহরিয়ার। মনোলোভা বিষয়ের কারণেই তাঁর সম্পাদিত লোকনন্দন বিষয়ক পত্রিকা ইতোমধ্যে পাঠকের নজর কেড়েছে। ‘জ্যোৎস্না’ ও ‘বৃষ্টি’ সংখ্যা প্রকাশ করার এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে ‘গ্রাম’ সংখ্যা। বাংলাদেশের শাশ্বত গ্রাম নিয়ে এত বড় পরিসরে আগে কখনো কাজ হয়নি। টানা ৪ বছর ধরে চলেছে সংখ্যাটির প্রস্তুতির কাজ। লিটলম্যাগ সম্পাদনা নিঃসন্দেহে দুরূহ কাজ। বিষয়ভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ আরো দুরূহ। সবচেয়ে বড় সমস্যা- সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ লেখকের কাছ থেকে লেখা আদায়। লেখকদের সম্মানী দিতে না পারাও অনেক সময় পীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গ্রামকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ লেখা বিন্যাস করেছেন সম্পাদক। ‘গ্রাম কী, প্রাচীন ও আধুনিক গ্রাম’ অংশ লিখেছেন- বিপ্রদাশ বড়–য়া (আদিগ্রাম, স্বপ্নসুন্দর স্বর্গোদ্যান ও মায়াবাস্তবতা), আবুল কাসেম (প্রাচীন বাংলার গ্রামের সন্ধানে), অনুপম সেন (বাংলার গ্রামই বাঙালির সত্তা), আনোয়ার হাসান (গ্রামবাংলায় শোষণ ও বঞ্চনার ধারাপাত)। ‘প্রত্নতাত্ত্বিক গ্রাম’ নিয়ে লিখেছেন- মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান (উয়ারী-বটেশ্বর, স্বপ্নের স্বর্গোদ্যান)। এছাড়াও লিখেছেন- শিহাব শাহরিয়ার, (বাংলাদেশে কত গ্রাম), মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (গ্রামের নাম চরখারচর), মো. আবু মোতালেব খান (এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচংয়ের অভাজন); সীমান্তের গ্রাম নিয়ে লিখেছেন- মো. নূরুল হুদা (বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের গ্রাম ‘ঝারুয়াপাড়া’), নূর-ই-আলম (উপকূলের গ্রাম ‘চর কুকরীমুকরী’); খালেক বিন জয়েনউদদীন (বাঙালির তীর্থভূমি টুঙ্গিপাড়া), মতেন্দ্র মানখিন (গারো গ্রাম ‘দীঘলবাগ’), মিঠুন রাকসাম (গারো গ্রাম), মানবর্দ্ধন পাল (খেলা নিয়ে লেখা : গ্রামবাংলা), মোকারম হোসেন (গ্রামবাংলার হাটবাজার); ‘শিল্প-সাহিত্যে গ্রাম’ অংশে লিখেছেন- মাহবুবুল হক (বাংলা কবিতায় গ্রাম), মজিদ মাহমুদ (বাংলা উপন্যাসে গ্রাম ও গ্রামসমাজ), অনুপম হায়াৎ (বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে গ্রাম : প্রকৃতি, জীবন, সমাজ ও সংস্কৃতি), ড. কাজী মোজাম্মেল হোসেন (আমাদের গ্রামীণ চিত্রকলা), বাবু রহমান (লোক ও পল্লীগানে গ্রাম এবং গ্রামীণ সংস্কৃতি), শাহমান মৈশান (বাংলা নাটকে গ্রাম-চিত্রণের বিবিধ চিহ্নের খোঁজ ও পাঠ)। ‘স্মৃতি তাড়ানিয়া গ্রাম’ নিয়ে লিখেছেন- অনন্ত সুজন (কল্পনার বাগানবাড়ি), অসীম সাহা (আমার হারিয়ে যাওয়া গ্রাম তেওতা), আনিসুল হক (স্মৃতির গ্রাম), আন্না পুনম (আমার কোনো গ্রাম নেই), আবু মকসুদ (গহিনের ঘোরগদ্য- ১), আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক (আমার গ্রামের কিছু স্মৃতি), আমিনুল ইসলাম (আমাদের গ্রামখানি : তখন এবং এখন), আমিনুল ইসলাম খান (আমার গ্রাম), আলমগীর রেজা চৌধুরী (কোথা হইতে আসিয়াছ), আলাউল কবীর (ব্রহ্মপুত্র’র পাড়ে আমার গ্রাম- আমার স্মৃতি), আশা খান (আমাদের গ্রাম), আসলাম সানী (মায়ের ছেলে গাঁয়ের ছেলে), আহমেদ স্বপন মাহমুদ (আমাদের কবিতাগ্রাম), আহমাদ মোস্তফা কামাল (দু’চারটে অশ্র“জল), ইকবাল আজিজ (সেই চিরায়ত গ্রাম ও তার যান্ত্রিক সংস্কার), ইকবাল হাসান (বাদুড়তলার পরি), ইমতিয়ার শামীম (মৃত্যু আসে বিস্মরণের সঙ্গে), উম্মে মুসলিমা (দুর্গাপুজোয় আমার গ্রাম), কমল কর্মকার (নগর হতে চলেছে আমাদের গ্রাম), কাজী রোজী (এই তো আমার গ্রাম), কামরুল হাসান (স্মৃতির শস্যভরা গ্রাম), খাতুনে জান্নাত (আমার হৃদয়ে গাঁথা গ্রাম), খান মাহবুব (আমার গ্রাম আমার আরাধ্য), চন্দন চৌধুরী (ডানার স্বভাবে), জাকির তালুকদার (গ্রামবাস), জাহিদ হায়দার (এই চিঠি তোমার জন্যে), জয়শ্রী সরকার (বৃষ্টি নিয়েই জন্মেছিলাম আমি), জিয়া হাশান (গাঁও গ্রামের ফরসা রূপ), ঝর্না রহমান (জলাঙ্গীর ঢেউগুলো ঢুকে যাচ্ছে হাঙরের হাঁ-এর ভেতর), তিতাশ চৌধুরী (গ্রাম), তুষার আবদুল্লাহ (মুচকি হাসে গ্রামের সেই কাকতাড়–য়া), তুহিন তৌহিদ (দৌলতপুর গ্রাম ছোট নদী সবুজ তে ফুটবল ও বন্ধু শহীদ), পাপড়ি রহমান (আপনার চাইতেও আপন আমার সাকিন), পাবলো শাহি (আমার জন্মগ্রাম ‘নলভাঙা’), পিয়াস মজিদ (গ্রাম নিয়ে একছত্র), ফকির ইলিয়াস (আমার চারপাশে জেগে থাকে ছায়াদীর্ঘ সমুদ্রের গ্রাম), ফজলুল হায়দার চৌধুরী (ধলাপাড়া আমার প্রিয় ধলাপাড়া), ফরিদ আহমদ দুলাল (আমার গ্রাম), বাবুল সিরাজী (আমার মামাবাড়ি), বিপ্রদাশ বড়–য়া (নিবিড় বিপন্ন গ্রাম), বিমল গুহ (গ্রামের নাম বাজালিয়া), মাকিদ হায়দার (শৈশব কৈশোরের গ্রাম), মিজান রহমান (শৈশব হেসে ওঠে), মুজিবুল হক কবীর (মাটির টান), মতিন রায়হান (আমার গ্রামজীবন : স্মৃতির এক মহাকাব্য), মনি হায়দার (বোথলা, জেগে আছো বুকের গহিনে), মনির জামান (গ্রামের নাম জোলাগাতী), মিনার মনসুর (পটিয়ার কথা ভাবলেই আমার মায়ের কথা মনে পড়ে), মামুন রশীদ (আমার গ্রাম), মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁঞা (ঠিকানা ), মাহমুদ কামাল (আমাদের গ্রাম নয় ছবির মতন), মাহবুব বারী (আমার মা আমার গ্রাম), মিয়াজান কবীর (ইরতার রূপ : অপরূপা ইরতা), রজব বকশী (গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘাটু ও মালসী গান), রফিকুর রশীদ (মাথা উঁচু করা গ্রাম), রাজু আলাউদ্দিন (নিসর্গের নিভৃত কুহক), রিটা আশরাফ (আমার গ্রাম), রুহুল আমিন (আমার স্বপ্নপুরী গাঁও), শিউল মনজুর (নশ্বর পৃথিবীর এক অবিনশ্বর স্থান), শফি কামাল বাদল (গ্রামের নাম ফুলবাড়ি), শরীফ শাহরিয়ার, (একটি অসম্পূর্ণ গ্রাম্য ফর্দ), শামস আল মমীন (বড় দেশের গ্রাম বনাম ছোট দেশের গ্রাম), শিহাব সরকার, (গ্রাম নিয়ে দীর্ঘশ্বাস), শাহ্নাজ মুন্নী (লাবণ্য হারানো গ্রাম), শাহনাজ নাসরীন (গ্রামে), শায়লা হাফিজ (স্মৃতি জাগানিয়া), সেলিনা হোসেন (কামালপুর-ধানুয়া), সোহরাব পাশা, (ফুলহারা), হরিশংকর জলদাস (আমার গাঁ উত্তর পতেংগা), হামিদ কায়সার (শরৎচন্দ্র হাঁটতেন আমার গ্রামে), হাসিদা মুন (প্রান্তে আঁচল দোলানো ‘পন্নতলা’ গ্রাম)। পুনর্মুদ্রিত হয়েছে হেমাঙ্গিনী দত্তের ‘হারানো গ্রাম’। সাড়ে পাঁচ শতাধিক পৃষ্ঠার বৈঠা যে কাউকে স্মৃতিমেদুর করে তুলবে। নিয়ে যাবে বুকের ভেতরে লালিত গাঁয়ে! বৈঠা সম্পাদক : শিহাব শাহরিয়ার প্রচ্ছদ : আন্ওয়ার ফারুক প্রকাশকাল : ফেব্রুয়ারি ২০১৪ দাম : ৩০০