User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
২০০৩/২০০৪ সালের দিকে এইবইটার ই কোন একটা পার্ট ছোট খালা পড়ত আর পড়ার পর আমাকে শোনাতো। অফুরন্ত আগ্রহ নিয়ে শুনতাম ঘটনা গুলো। অনেক দিন পর বইটি দেখে সত্যি ই ভালো লাগছে।ভাবছি কিনব।
Was this review helpful to you?
or
প্রথম ১ ও ২ খন্ড অসাধারন রোমান্টিক ধরনের। প্রথম ২ খন্ড পড়ার পরে এই সিরিজ এর সব বই কিনে ফেলার ইচ্ছা করবে। কিন্তু পরের দিকে কাহিনীর মধ্যে কিছুটা বিরক্ত ভাব আসতে পারে। সমগ্র ১ এর প্রথম ২ খন্ড পড়ার আমন্ত্রণ জানাই। ভালো লাগবে।
Was this review helpful to you?
or
কোনো একসময় হয়তো ভালো লাগার কথা ছিলো। কিন্তু বইটি এই সময়ের জন্য নয়।
Was this review helpful to you?
or
জন্ম ও শিক্ষাজীবন রোমেনা আফাজ ১৯২৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর বগুড়া জেলার শেরপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন।[১] লেখিকার বাড়ি ছিল বগুড়া জেলার জলেশ্বরীতলায়, যা বর্তমানে স্মৃতি জাদুঘর।[১] তার পিতার নাম কাজেম উদ্দীন আহম্মদ এবং মায়ের নাম বেগম আছিয়া খাতুন। বগুড়া জেলার সদর থানার ফুলকোট গ্রামের ডাক্তার মোঃ আফাজ উল্লাহ সরকারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। কর্মজীবন রোমেনা আফাজ লেখালেখি শুরু করেন নয়বছর বয়স থেকে। তার প্রথম লেখা বাংলার চাষী নামক একটি ছড়া প্রকাশিত হয় কলকাতার মোহাম্মদী পত্রিকায়। এরপর অসংখ্য ছোটগল্প, কবিতা, কিশোর উপন্যাস, সামাজিক উপন্যাস, গোয়েন্দা সিরিজ ও রহস্য সিরিজ রচনা করেছেন। তার লেখা রহস্য সিরিজ "দস্যু বনহুর" ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার সৃষ্ট এই দস্যু বনহুর চরিত্রের জন্যেই মূলত তিনি বিখ্যাত। রোমেনা আফাজের লিখিত বইয়ের সংখ্যা ২৫০টি।[২] তার লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ৬টি চলচ্চিত্র; জনপ্রিয় এই চলচ্চিত্রগুলো হলো - কাগজের নৌকা, মোমের আলো, মায়ার সংসার, মধুমিতা, মাটির মানুষ ও দস্যু বনহুর৷ রোমেনা আফাজ শুধু একজন প্রতিভাময়ী লেখকই ছিলেন না, ছিলেন একজন সক্রিয় সমাজ সেবিকাও। ৩৭টি সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি৷ তারমধ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থা, বগুড়ার সাবেক চেয়ারম্যান; ঠেংগামারা মহিলা সবুজ সংঘ, বগুড়ার আজীবন উপদেষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা পৃষ্ঠপোষক; বাংলাদেশ মহিলা জাতীয় ক্রীড়া সংস্থা, বগুড়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান; উদীচী সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, বগুড়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান; বাংলাদেশ রেডক্রস সমিতি, বগুড়ার সাবেক সদস্য; শিশু একাডেমী, বগুড়ার সাবেক উপদেষ্টা; বাংলাদেশ রাইটার্স ফোরাম, বগুড়ার সাবেক উপদেষ্টা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য৷ পুরস্কার ও সম্মাননা সাহিত্য ও শিল্পকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ সালে বাংলাদেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”[৩][৪][৫] হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয় তাকে।[৬] রোমেনা আফাজের অবদানকে ধরে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রোমেনা আফাজ স্মৃতি পরিষদ৷ সাহিত্যে প্রশংসনীয় বিশেষ অবদানের জন্যে বিভিন্ন সংগঠন থেকে পেয়েছেন বহু পুরস্কার৷ তারমধ্যে নারী বিকাশ সংস্থা, বগুড়া থেকে বেগম রোকেয়া স্বর্ণপদক -২০০০; বাংলাদেশ রাইটার্স ফোরাম, বগুড়া থেকে ২১শে পদক (সাহিত্য),২০০৩; গণউন্নয়ন গ্রন্থাগার (সি,ডি,এল) নারী ফোরাম থেকে নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত সম্মাননা পদক, ২০০৬ (মরণোত্তর) ইত্যাদি অন্যতম৷ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে সাহিত্যে তার অবদানের স্বীকৃতি-স্বরূপ বিভিন্ন সময়ে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়; তারমধ্যে ঢাকার নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা গুণীজন-১৯৯৯ সংবর্ধনা উল্লেখযোগ্য৷ মৃত্যু অসামান্য প্রতিভার অধিকারী এই সাহিত্যিক ২০০৩ সালের ১২ জুন মৃত্যুবরণ করেন৷
Was this review helpful to you?
or
বিখ্যাত লেখিকা "রোমেনা আফাজ"-এর পড়া প্রথম উপন্যাস আমার এটি। পড়তে পড়তে গল্পের সাগরে হারিয়ে যাবার মতো একটা বই। দস্যু বনহুর সিরিজ ছিল ৯০-এর দশকে বহুল বিক্রিত বই। বইটির প্রতিটি পাতার রোমাঞ্চ ভরপুর। জীবনে খুব বোরিং বোরিং লাগছে? তাহলে একটিবার এই সিরিজটি পড়ে দেখতে পারেন। সকল একঘেয়েমি মনোভাব নিমিষেই কোথায় উধাও হয়ে যাবে বুঝতেই পারবেন না। হাইলি রিকমন্ডেড একটি বই
Was this review helpful to you?
or
Boi ti pore khub valo legeche.
Was this review helpful to you?
or
বই : দস্যু বনহুর। লেখক : রোমেনা আফাজ। প্রচ্ছদ : সুখেন দাস। মূল্য : ৩৫০ টাকা। (বনহুর সমগ্র ১ম খন্ড) প্রকাশনী : সালমা বুক ডিপো। #কাহিনী_সংক্ষেপ দস্যু বনহুর নাম টা শুনলেই একটু সেকেলে সেকেলে মনে হয় তাই না? হ্যা, সময় টা ছিল ষাটের দশক যে! দস্যু বনহুরের ভয়ে দেশবাসী অস্থির। কখন কোথায় হানা দেয় সবার মনেই একই ভয়। কিন্তু বনহুরের নামে মানুষ আতঙ্কিত হলে কি হবে? আদতে সে ছিল সুদর্শন সুপুরুষ। উদারমনা ও মহৎপ্রাণ। দস্যুবৃত্তি বনহুরের পেশা নয় - নেশা। দস্যুতা করত খেয়ালের বসে, এতে সে আনন্দ পেত। দেখা যেত, হয়ত কোনো ধনীর বাড়িতে হানা দিয়ে সর্বস্ব লুটে নিয়ে বিলিয়ে দিত দীন-হীন গরিবদের মধ্যে। নয়ত ফেলে দিত সাগরের জলে। অদ্ভুত চালচলনের বনহুরের প্রাণ ছিল যেমন কোমল, তেমনই কঠিন। পুলিশ মহলেও বনহুর ত্রাসের সৃষ্টি করে রেখেছে। বহু প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে তাদের, কিছুতেই বনহুরকে গ্রেফতার করতে পারেননি পুলিশ বাহিনী। চিন্তিত হয়ে পুলিশ সুপার বশির আহমদ গোপনে প্রাইভেট ডিটেকটিভ শঙ্কর রাওকে অনুরোধ করেন। একদিকে পুলিশ ফোর্স, অন্যদিকে গোয়েন্দা! কিন্তু তবুও থেমে নেই বনহুর! বনহুরকে ধরার জন্য শঙ্কর রাও এক ফাঁদ পাতেন।কিন্তু বনহুর সহজ পাত্র নয়। নিজেদের পাতা ফাঁদেই আটকে পরে পুলিশসহ গোয়েন্দা রাও। মাথা চাপবার উপক্রম তাদের। তাহলে কারোপক্ষেই সম্ভব নয় বনহুরকে ধরা? এই আলোচনা যখন ফিসফাস হচ্ছে, চৌধুরী বাড়িতে চৌধুরী কন্যার জন্মোৎসবে দাওয়াত পায়, পুলিশ ইন্সপেক্টর ও পুলিশ সুপারসহ ডিটেকটিভ রাও-ও। আরো আছে নামিদামি ব্যক্তিবর্গ। আর এ উৎসবের মূল হলো চৌধুরী তার কন্যাকে হীরের আংটি উপহার দেবেন। যথাসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয় মেহমানগণ। কিন্তু তারপরেই মাথায় হাত? বনহুরের নীল খামের চিঠি পাওয়া যায়। সে অনুষ্ঠানে এসেছিল? কিভাবে এসেছিল? এত এত মানুষ জন কেউ তাকে দেখল না? সে নাকি আবার আসবে? এহেন অবস্থায় বাড়িতে পুলিশ পাহারা বসল। বেশ কয়দিন দুশ্চিন্তায় কারো ঘুম হলো না! কিন্তু এক সকালে চৌধুরী কন্যা এসে যা জানালো তাতে সবার চক্ষু চড়কগাছ! কি এমন ঘটেছিল? চৌধুরী কন্যা কি জানিয়েছিল সবাইকে? আপনি যদি তা জানতে চান তবে আর দেরি না করে পড়ে ফেলুন রোমেনা আফাজের অমর সৃষ্টি দস্যু বনহুর বইটি। মন্তব্য: প্রথমেই বলি গল্পটা বা পুরো সিরিজটার রচনাকাল কিন্তু ষাটের দশক। সুতরাং এতে রাজা-রাণী , জমিদার, চৌধুরী বা দস্যু বনহুরের মত চরিত্র থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। খানিকটা ড্রামাটিক ও বলা যায়। কেননা এই গল্প নিয়ে নায়ক সোহেল রানা হিসেবে পরিচিত ; পরিচালক মাসুদ পারভেজ "দস্যু বনহুর" চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। তবে প্রেক্ষাপট যেমনই হোক না কেনো, গল্পের বিস্তৃতি ও বর্ণনা নিঃসন্দেহে দারুণ প্রশংসনীয়। যা পাঠক পড়লেই বুঝতে পারবেন। সালমা বুক ডিপোর বাইন্ডিং, প্রিন্টিং সবই দারুণ। তবে কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে। তাছাড়া পুরোই সুখ পাঠ্য ছিল। বই হোক ভালোবাসার প্রতীক।