User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদু্র রহমানের “জয় আসলে ভারতের” আসলে একটি রাজনৈতিক বই বললে ভুলহবে না।এই বইটিতে আসলে বর্তমানে আমাদের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আর আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের অনেক অনিয়ম ও আগ্রাসী মনোভাব লেখক অনেক সুন্দর করে তুলে ধরেছেন।বইটি অনেকের কাছে খারাপ লাগলেও বইটিতে লেকক কিছু নির্মম সত্য তুলে ধরেছেন যা প্রতিনিয়ত আমাদের সাথে ঘটে যাচ্ছে।ভারত,আমাদের দেশের তিন দিকেই যাদের বেষ্টনী অন্য দিকে বঙ্গপোসাগর।১৯৭১ সালে মাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত অনেক সাহায্য করেছে তা অনস্বীকার্য । কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল এই যে মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই আমাদের দেশের সাথে তাদের সম্পর্ক অবনতির দিকে যাচ্ছে।ভারতের কিছু কার্যকলাপ আমাদের দেশের উপর এমন প্রভাব বিস্তার করেছে যা অনেক বিষয়ে তাদের কাছে মনে হয় জিম্মি আমরা।তাদের অনেক আগ্রাসী মনোভাবের কথা লেখক বেশ ভাল করেই তুলে ধরেছেন এই বইটিতে।তিতাস নদীর হাহাকার, বিএসএফ সশস্ত্র হত্যাযজ্ঞ, কোড্ডা খাল ভরাট করে ভারতীয় ট্রেইলার চলাচল,তিস্তা বাধের চিত্রই বলে দেবে বইতে আসলে কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বাংলাদেশ কিভাবে তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তা এই বইটীতে বেশ ভাল করেই বর্ণনা করেছেন লেখক।সাথে তিনি তুলে ধরেছে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদ দের ভারতপ্রীতির কথা।আসলে আমাদের দেশে নির্বাচনে যারাই জয়লাভ করুক না কেন তারা ভারতের এই নির্মম আগ্রাসনের কোন প্রতিবাদ করেনি করছেনা ভবিষ্যতে আদৌ করবে কিনা তা লেখকের কাছে এখনও যাপসা।তাই বলতে হয় আসলেই জয়টি ভারতেরই।বইটি পড়ে আসলে অনেক খারাপ লাগতেছে কারন আমরা আসলে একটা নির্মম সত্যের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছি যার ভুক্তভোগী সাধাওরন জনগন।আমাদের দেশের প্রধানরা ব্যাপারটা অবলোকন করতেছে নাকি দেখেও না দেখার ভান করতেছে সেটায় আমার কাছে বোধগম্য হচ্ছেনা।
Was this review helpful to you?
or
"সবার সাথে বন্ধুত্ব- কারো প্রতি বিদ্বেষ নয়" বাংলাদেশের সংবিধানে পররাষ্ট্রনীতি। তারউপরে তো মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া প্রতিবেশী ভারতের সাথে আরো ভালো সম্পর্ক বজায় থাকার কথা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ অবনতির মুখ দেখেছে, যদিও কতিপয় রাজনীতিকের ভাগ্য প্রসন্ন হয়েছে বৈ কি! তবে, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ভারতবিদ্বেষী মনোভাব গড়ে উঠেছে এতে কোন সন্দেহ নেই! আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্য যেকোন দেশের চেয়েও বাংলাদেশের জন্য ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, আমাদের তিন দিকেই ভারতের বেষ্টনী। আয়তনে বিশাল- আমাদের এ প্রতিবেশী। মাহমুদুর রহমান আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক। তিনি তার "জয় আসলে ভারতের" বইয়ে বেশ দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন ভারতের আগ্রাসী মনোভাব ও এদেশীয় দালালদের মাধ্যমে জনস্বার্থ বিকিয়ে দেয়ার হৃদয়বিদারক চিত্র। প্রচ্ছদে দদেয়া কাটাতারে ঝুলন্ত ফেলানী, তিতাস নদীর হাহাকার, বিএসএফ সশস্ত্র ব্যাঘ্রটহল,কোড্ডা খাল ভরাট করে ভারতীয় ট্রেইলার চলাচল,তিস্তা বাধের চিত্রই বলে দেবে বইতে আসলে কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৃহৎ ও শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়ার দাপটে দৌরাত্মে ও অন্যায় খবরতারিতে ভারতের প্রায় সবকটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রই অতিষ্ঠ।এ আধিপত্যবাদী আগ্রাসী মনোভাব ও তৎপরতার বিরদ্ধে প্রতিবাদই উচ্চারিত হয়েছে বইটিতে। বইটিতে মাহমুদুর রহমান দেখিয়েছেন কিভাবে একতরফা পানি প্রত্যাহারের মাধ্যমে দেশের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি এলাকাকে মরুভূমি সদৃশ করা হয়েছে। বিভিন্ন চুক্তিতে রাষ্ট্রস্বার্থ বিকিয়েছেন রাজনীতিকরা। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, ভাটি অঞ্চলের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ন্যায্য পানির অধিকার স্বীকার করেনা ভারত। তাদের সে অস্বীকৃতিতে প্রতিবাদ দূরে থাক- উল্টো পাচাটা চাটুকারের মতোই ব্যবহার ক্ষমতাসীনদের। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশকে ভারতের এ ন্যায্য পানির হিস্যা না দেয়াটাও আন্তর্জাতিক কোন সংস্থা বা জাতিসংঘেও উপস্থাপন করেননি ক্ষমতাসীরা। ফলে, একদিকে শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে মরুভূমি! আবার বর্ষা মৌসুমে বন্য— এভাবেই মাঠের ফসল মাঠেই মারা যাচ্ছে- কৃষক ও সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস আসছে। আমদানি করতে হচ্ছে চাল—তাও ভারত থেকে! নদীর উপর ভারতের ট্রেইলার চলাচলের জন্য রাস্তা করা হয়েছে — দেখেও দেখেনি মিডিয়া- তিতাস-কোড্ডার বোবা কান্নায় কেদেছে বাংলাদেশ!!! সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বেপরোয়া। একের পর সীমান্তে হত্যা কোন বিচারের মুখ তো দূরের কথা। প্রতিতিবাদের মুখও দেখেনি। এসবের পেছনে লেখক দায়ী করেছেন— আওয়ামীলীগের ভারতমুখী রাজনীতি, বিএনপির ভারতপন্থী অংশ এবং প্রথম আলো পত্রিকাকে ভারতের মিডিয়া উইং হিসেবে। বাংলাদেশী তরুণদের ফুসে উঠা, ইন্ডিয়ান ওয়েবসাইট হ্যাক করে সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে লেখক আশার আলো দেখেছেন। শেষকথা— লেখকের মতে, আওয়ামীলীগ কিংবা বিএনপি নয়- জয় আসলে ভারতের। পাঠকের সুবিধার্থে সূচি সংযোজন করলাম— • জেগে উঠছে বাংলাদেশের তরুণ • ভারতবন্ধুরা কাছা খুলে নেমেছে। • বন্ধু ভারতের পানি আগ্রাসনের ইতিবৃত্ত • আইএসআই নাটকের কলাকুশলী ও বাংলাদেশের রাজনীতি। • ছিটমহলবাসীর বঞ্চনা • দুর্নীতিসহায়ক অপচয়ের বাজেট • বল্গাহীন দুর্নীতি ও ম্রিয়মাণ টিআইবি। • টিআইবির সময় অসময় • শাসক করে দুর্নীতি মাশুল দেয় জনগণ • দুর্নীতির মহোৎসব ও সুশাসনের কফিন • সরকারপ্রধানের ইউনূস ফোবিয়া ও সুশীল রাজনীতি। • সীমান্ত হত্যা • পানি আগ্রাসন • বিরোধী নেত্রীর দিল্লি সফর • আন্তর্জাতিক পানি বন্টনের আলোকে ভারত - বাংলাদেশ পানি বন্টনের ইতিহাস। • জয় আসলে ভারতের • সর্বত্র প্রতিরোধ চাই ভরতের আগ্রাসী তৎপরতা ও তার প্রতিরোধ সম্পর্কে জানতে বইটি অবশ্যই সহায়ক হবে বলে আমার বিশ্বাস।
Was this review helpful to you?
or
সাহসী লেখকের সেরা লেখা । দেশের শত্রুদের নীলনকশা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে । দেশপ্রেমিক নাগরিকের বইটি পড়া উচিত।