User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By Shafique Hasan

      15 May 2014 01:55 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      বাংলা ছোটগল্প এগিয়েছে অনেকদূর, এগোবেও আরো অনেকদূর। নিরন্তর এ চর্চায় সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে আরেকটি নাম ইমন চৌধুরী। বইমেলা ২০১০-এ বেরিয়েছে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ- লাল পাড় সাদা শাড়ি। জাতীয় দৈনিকের ক্রোড়পত্র হিসেবে প্রকাশিত ফান ম্যাগাজিনেই ইমন লেখেন বেশি। রম্য জাতীয় লেখা। তাই বলে সিরিয়াস লেখা থেকেও পিছিয়ে নেই। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, সাময়িকপত্র, লিটল ম্যাগাজিনে লিখছেন নানা স্বাদের গল্প। রাখছেন প্রতিভার সাক্ষর। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত এবং আনকোরা মোট ১০টি গল্প নিয়ে অনুপম প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে আলোচ্য বইটি। বইয়ের নামগল্প- লাল পাড় সাদা শাড়ি। এ গল্পে পাঠক হিসেবে আমরা দেখতে পাই বহু কষ্টে প্রতিষ্ঠিত হওয়া একজন যুবককে। অনেক টাকাঅলা আতিক এখন ‘ইচ্ছে করলে হলের টিকেট কাউন্টারে ঢুকে সব টিকেট এক সঙ্গে কিনে ফেলতে পারে’। ঢাকা নিউ মার্কেটের দুই নম্বর গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ঢাকাই ছবির পোস্টার দেখে আতিক হারিয়ে যায় দারিদ্র্যজীর্ণ অতীতে। বলাকা সিনেমা হল নতুন করে মনে করিয়ে দেয় এক কিশোরের দল বেঁধে সিনেমা দেখার স্মৃতি। টিকেট কিনতে যার কিনা প্রায়ই টাকায় টান পড়তো। বলাকা সিনেমা হলের সামনে দাঁড়িয়ে আতিক অপেক্ষা করছিলো তার স্ত্রী শ্যামার। শ্যামা এলে দুজনে নিউ মার্কেটে ঢোকে। শপিং করতে। শাড়ির দোকানে ঢুকে শ্যামা পছন্দ করে গাঢ় লাল পাড় আর সাদা জমিনে হালকা কারুকাজ করা একটি শাড়ি। পছন্দের শাড়িটি শ্যামা কিনতে চায়। কিন্তু আতিক এ শাড়ি কেনার পক্ষপাতী না। শ্যামাকে অন্য শাড়ি পছন্দ করতে বলে। যুগপৎ অপমান ও অভিমান নিয়ে শ্যামা শাড়ি না কিনেই গাড়িতে ওঠে। শ্যামা জানে না, ঠিক এরকমই একটি শাড়িকে ঘিরে রয়েছে আতিকের কষ্টমাখা অতীত। খালাতো বোন রুশির বিয়ে উপলক্ষে আতিকের মা গ্রাম থেকে ঢাকা আসেন। বিত্তবান বোনের অভিজাত এলাকার বাড়িতে যাওয়ার মতো ভালো শাড়ি না থাকায় আতিক ও তার মা এক প্রকার বিপদেই পড়ে। খালার ও নিজেদের মান বাঁচাতে সে মাকে নিয়ে মার্কেটে যায়। নতুন একটা শাড়ি কিনবে বলে। কিন্তু সব টাকা একত্র করেও পছন্দ করা শাড়িটির দাম হয় না। সুতরাং কেনাও হয় না ‘লাল পাড় সাদা শাড়ি’। এক কষ্ট বুকে নিয়ে নিয়ে ফিরে আসে ব্যর্থ আতিক। অল্পকথায়, সহজ বাক্যে আতিকের সেই কষ্ট ধারণ করে গল্পকারের কলম- মাকে তার পছন্দের শাড়ি কিনে দেয়া হয় না তার। অনেকদিন পর ঠিক একই রকম লাল পাড় সাদা শাড়ি শ্যামাকে কিনতে দেখে পুরনো ক্ষতটা নতুন করে জেগে ওঠে আতিকের। টাকার অভাবে যে লাল পাড় সাদা শাড়ি একদিন সে তার মায়ের জন্য কিনতে পারেনি সেই একই রকম লাল পাড় সাদা শাড়ি অন্য কোনো নারীর জন্য কিনতে মন সায় দেয় না আতিকের। বইটির বেশির ভাগ গল্পই মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্তের অন্তর্কথন সমৃদ্ধ। যে জীবনযন্ত্রণা এ শ্রেণী বয়ে বেড়ায়, যে যন্ত্রণায় তারা ক্ষতবিক্ষত হয়, রক্তাক্ত হয় ইমন চৌধুরী সযত্নে তা মূর্ত করে তোলেন। লেখকের সংবেদনশীল কলমে ধরা পড়ে যাপিতজীবনের নানা কেদ। অনিবার্য অনুষঙ্গ হিসেবে আসে ক্ষরণের অনবদ্য চিত্র। মানুষের ক্ষুদ্রত্ব, মনোস্তত্ত্ব, মনোস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব- লহমায় মূর্ত করে তোলেন এ তরুণ গল্পকথক। এ বইয়ে তার আরেকটি সার্থক গল্প- ছায়া মানুষ। উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর এ গল্পটিও নিউ মার্কেট থেকে শুরু। দীর্ঘদিন পর একসময়ের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী রুপার সাথে দেখা হয়ে যায় শুভ্রার। কেনাকাটা করতে গিয়েই এভাবে হঠাৎ দেখা। শুরু হয় এটা-ওটা আলাপ। কথাপ্রসঙ্গে শুভ্রা জানায়Ñডাক্তার পরীক্ষানিরীক্ষা করে, নিশ্চিত হয়ে বলে দিয়েছেন শুভ্রার পক্ষে মা হওয়া সম্ভব নয়। সন্তান জন্মদানে সে অক্ষম। শুনে পেশাগত জীবনে ডাক্তার রুপা, শুভ্রা ও তার স্বামীসহ চেম্বারে আসতে বলে। রুপা নিজে পুনরায় পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে চায়। স্বামী কমলকে প্রস্তাব দিলে অনীহা প্রকাশ করে। বিরক্তিও ঝাড়ে। নানা রকম যুক্তি, পাল্টা যুক্তি দেখিয়ে সে শুভ্রাকে নিরস্ত করার চেষ্টা করে। শেষপর্যন্ত মাতৃত্বের আকাক্সক্ষায় পিপাসিত শুভ্রা একাই যায় রুপার হাসপাতালে। রিপোর্টে দেখা যায়, শুভ্রা সন্তান জন্মদানে সম্পূর্ণ সক্ষম। তার মানে সমস্যা কমলেরই। নিজের সমস্যা ঢাকতেই সে ডাক্তার বন্ধু রিফাত আহমেদকে দিয়ে চিকিৎসা করিয়েছে; বের করে নিয়েছে ভূঁয়া রিপোর্ট। নিজের অক্ষমতা ছলচাতুরি করে তুলে দিয়েছে স্ত্রীর ঘাড়ে। এ পুরুষশাসিত সমাজে যা খুবই স্বাভাবিক এক ঘটনা। গল্পকার এখানে রূপার জবানিতে পুরুষ-চরিত্র উন্মোচন করেন- ...সন্তান জন্মদানে অক্ষম এ পরিচয়টা যে কোনো পুরুষের জন্য বেশ অপমানকর। কোনো পুরুষই নিজেকে নপুংসক হিসেবে মেনে নিতে চায় না। এতে তাদের পৌরুষত্বে খুব লাগে...। রূপালি পর্দা তথা বাংলা সিনেমার সাড়াজাগানো এক নায়িকার গল্প- অহর্নিশ। ক্যারিয়ার যখন তুঙ্গে, একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়ে নিজেকে প্রথম সারির নায়িকার আসনে নিয়ে গেছেন রুশি ঠিক তখনই আচমকা অবসর গ্রহণ করেন। পাততাড়ি গুটিয়ে নেন চলচ্চিত্র জগত থেকে। যা কিনা অভাবনীয়, অকল্পনীয়। তার এই হঠাৎ নীরব হয়ে যাওয়ায় দর্শক-ভক্তদের পাশাপাশি মিডিয়ায়ও ঝড় ওঠে। কিন্তু রহস্যোদ্ঘাটনে সবাই ব্যর্থ। অনেক বছর পর, যখন নায়িকা রুশি স্ক্যান্ডাল দূরে থাক সব রকম আলোচনার বাইরে- ঠিক এ সময় সাক্ষাতকার নিতে যায় এক তরুণ সাংবাদিক। সাংবাদিককে নিরাশ করেন না রুশি বরং তার সামনে উন্মোচিত করেন ফেলে আসা অতীতের অজানা অধ্যায়। যে ধ্রুব সত্য চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট মানুষ, ভক্ত-দর্শক কেউই জানে না। একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও নায়ককে ঘিরে রুশির নামে স্ক্যান্ডাল ছড়ায় পত্রিকাগুলো। প্রেমঘটিত গুজব। যদিও এর কোনো বাস্তব ভিত্তিই ছিলো না। বরং বাস্তবতা অন্য। বড় বোনের কাশমেট রাশেদের সাথে প্রেম ছিলো রুশির। পরিবারের অসম্মতির কথা ভেবে বেকার রাশেদকে গোপনে বিয়ে করেন তিনি। তার পরই রুশি পা রাখেন চলচ্চিত্র মাধ্যমে। পর্যায়ক্রমে অর্জন করে নেন শীর্ষ নায়িকার আসন। এ সময়টাতেই স্বামী রাশেদ তাকে ঘরে তুলে নিতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু রুশি জানেন, বাংলাদেশের সিনেমা-দর্শকদের অদ্ভুত মানসিকতার কথা। কোনো নায়িকার বিয়ে হয়ে গেলে তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ে। ফলশ্রুতিতে তার অভিনীত ছবি ব্যবসায়িকভাবে মার খায়। জনপ্রিয়তা ধরে রাখার তাগিদে দর্শকদের কাছে নিজের কুমারী ইমেজটা বজায় রাখতে হয়। এ পথেই পা বাড়ান রুশি। বিবাহিতা হয়েও নিজেকে অবিবাহিতা বলে দাবি করেন। এ মিথ্যাচারটুকু ছাড়া আর কোনো উপায়ও ছিলো তার। এতে করে তাকে ভুল বোঝে স্বামী রাশেদ। ডিভোর্স লেটার পাঠায়। ডিভোর্স লেটার পেয়েই রূপালি পর্দার ঘোর কেটে যায় রুশির; নিজেকে জনপ্রিয়তার হাতছানি থেকে ছাড়িয়ে নেন। যদিও সেটা তার জন্য কোনো ফল বয়ে আনে না। যা ঘটার তা তো ঘটেই গেছে। এ কারণেই অভিনয় থেকে ইস্তফা দেয়ার পনেরো বছর পরও তিনি থেকে যান ‘অবিবাহিতা’ এবং নিঃসঙ্গ। সাধারণ মানুষকে যারা হাসায়, কাঁদায়, আনন্দ দেয়, আলোড়িত করে তাদের ব্যক্তিজীবনেই কত হতাশার বাঁক। অতল অন্ধকার। না পাওয়ার যন্ত্রণা। যে প্রদীপ নিজে জ্বলে আলোকিত করে চতুর্দিক তার নিচে ঠিকই অন্ধকার। সে অন্ধকারেই ঢেকে যায় হার্টথ্রব নায়িকা রুশির জীবন। রুশির জীবনের রোশনাই ম্রিয়মাণ হয়ে আসে। রুশিরা এভাবেই থেকে যায়, বড় বেশি নিঃসঙ্গ আর স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে দূরে। বইটির সর্বশেষ গল্প- রক্ত। এ গল্পের পটভূমি ভূতপূর্ব এক জমিদারবাড়িকে ঘিরে আবর্তিত। শিশির তার কিছু বন্ধু এবং বন্ধুপত্নীকে নিয়ে বেড়াতে আসে নিজেদের গ্রামের বাড়িতে। যা কিনা দৌলতপুর জমিদারবাড়ি হিসেবে পরিচিত। শিশিরের পিতামহ এ অঞ্চলের ডাকসাঁইটে জমিদার ছিলেন। জমিদারদের যে সব ‘আলুর দোষ’ থাকে তা থেকে মুক্ত ছিলেন না তিনিও। অত্যাচারী শাসক হিসেবে তিনি নিজেকে পরিচিত করিয়েছেন। নাচের প্রতি তার প্রচুর নেশা। রোজ রোজ নাচঘরে নিত্যনতুন নর্তকী এসে তার মনোরঞ্জন করে যায়। জমিদারবাড়ির এ নাচঘরেই কেটেছে তার জীবনের দীর্ঘ সময়। তার পুত্র অর্থাৎ শিশিরের বাবা ফরহাদ চৌধুরী ও চাচা মাহতাব চৌধুরী ছিলেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। জমিদারনন্দন হয়েও ভোগবিলাসে ডুবে না থেকে তারা মিশে যান সাধারণ মানুষের সাথে, তাদেরই মতো হয়ে। জমিদার আফজাল চৌধুরীর মৃত্যু এবং জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে যবনিকাপাত ঘটে এ কালিমালিপ্ত অধ্যায়ের। কিন্তু কালের সাক্ষী হিসেবে থেকে যায় জমিদারবাড়িটি। যদিও বাড়িতে পরবর্তী বংশধর অর্থাৎ শিশিররা কেউই থাকে না; কেয়ারটেকারই দেখভাল করে। শিশিররা মাঝে-মধ্যে অবকাশযাপনের জন্য আসে। যেমন এবার এলো। রাতের বেলা আড্ডায় বন্ধুদের সাথে সখের বশে মদ্যপান করে শিশির। কথায় কথায় সে স্ত্রী জয়াকে নাচার অনুরোধ করে। এক সময়ের নৃত্যশিল্পী জয়া প্রথমে না করলেও পরে অন্যদের অনুরোধে রাজি হয়। অনেক-অনেক বছর পর জমিদার আফজাল চৌধুরীর নাচঘর খুলে দেয়া হয়। মোমবাতির হালকা আলোয় জয়া নাচ শুরু করে। উত্তমপুরুষে লেখা এ গল্পের কথক নাচ চলাকালে জয়ার ওপর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে শিশিরের দিকে তাকায়। তাকিয়ে চমকে ওঠে। একের পর এক গ্লাস করে মদ পান করছে শিশির। চেহারা, আচরণে জমিদারি ভাব। এ যেন আজকের শিশির নয়, শিশিরের খোলসে বসে থাকা জমিদার আফজাল চৌধুরী। যে কিনা নৃত্য ও নর্তকীতে আসক্ত! মদের নেশায় আধুনিকতা এবং ভদ্রলোকের খোলস ভেঙে বেরিয়ে এসেছে প্রকৃত রূপ। শিশিরের এ চেহারা ধরা পড়ে গল্পকারের মনোস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণসমৃদ্ধ কলমে- মানুষ তার পূর্বপুরুষের ইতিহাস হয়তো অস্বীকার করতে পারে, কিন্তু পূর্বপুরুষের রক্তকে কখনো অস্বীকার করা যায় না। রক্ত যেন ভরা বর্ষার মতো। নিরন্তর বহমান। নিঃশব্দে বয়ে চলে পূর্বপুরুষ থেকে উত্তরপুরুষের দেহে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। বইয়ের অন্য গল্পগুলো হচ্ছে- ঘড়ি, মেঘ কেটে যায়, চার দেয়ালের পৃথিবী, মেঘ রৌদ্দের শহরে, স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন, মোহন বিলাস। এ ছয়টি গল্পও সুখপাঠ্য। এক বসায় পড়ে শেষ করার মতো। গল্পকারকে শুধু গল্পকার হলে চলে না, হতে হয় দার্শনিকও। থাকতে হয় গভীর জীবনবোধ, জীবনজিজ্ঞাসা। দেখতে এবং দেখাতে পারার ওপর নির্ভর করে গল্পকারের সাফল্য। ইমন চৌধুরীর যে দার্শনিকসত্তা, তা জীবনবোধ নির্মিতিতে তাকে সহায়তা করেছে। ইমনের প্রতিটি গল্পেই রয়েছে দর্শন। যে দর্শন উপলব্ধি করে পাঠক চমৎকৃত হয়, পুলকিতও। অবাক বিস্ময়ে পাঠক দেখে, ইমন কীভাবে জীবনের ভেতরের জীবন তুলে আনেন অনায়াস দক্ষতায়। কয়েকটি ছোট বাক্যে মূর্ত করে তোলেন কঠোর-কঠিন বাস্তবতা। শিল্পী স্বপন চারুশির করা প্রচ্ছদটি বড় বেশি শাদামাটা মনে হয়েছে। আরেকটু ভালো হতে পারতো। সুন্দর অক্ষরবিন্যাস। পরিমাণে বেশি না হলেও কিছু মদ্রণপ্রমাদ চোখে পড়ে। যেমন- সন্দেহ শব্দটি পুরো বইয়ে লেখা হয়েছে সন্ধেহ, সূত্রকে সুত্র, ভাণ্ডারকে ভান্ডার- এরকম ছোটখাটো বেশকিছু ভুলত্রুটি আছে; যা একটু যত্নবান হলে এড়ানো যেতো। সামগ্রিক দিক বিবেচনায় এগুলো হয়তো তেমন একটা ধর্তব্যের মধ্যে পড়বে না। তবু ভুল তো ভুলই! চর্চা অব্যাহত রাখলে ইমন চৌধুরী গল্পভুবনে স্থায়ী আসন করে নিতে সক্ষম হবেন এমনটি ভাবাই যায়। কারণ হিসেবে বলতে হয় সেই পরিচিত বাক্য- মর্নিং শোজ দ্য ডে! লাল পাড় সাদা শাড়ি ইমন চৌধুরী প্রকাশক : অনুপম প্রকাশনী প্রচ্ছদ : স্বপন চারুশি প্রকাশকাল : ফেব্রুয়ারি ২০১০ পৃষ্ঠা : ৬০, দাম : ৭০ টাকা

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!