User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By Shah Nawaz Shakkhor

      03 Jul 2021 09:52 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Average book

      By Mohammad Radiul Islam Rakib

      31 May 2021 06:31 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ

      By Gaffar Mahmud

      15 Jan 2020 09:16 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      Nice

      By Md. Raju Ahmed

      15 Oct 2019 05:11 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বই : লেয়ার অব দ্য হোয়াইট ওঅর্ম জনরা : হরর (পিশাচ কাহিনী) মূল : ব্রাম স্টোকার রূপান্তর : ইসমাইল আরমান পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২২১ প্রকাশকাল : ২০১০ কাহিনী সংক্ষেপ : ----------------------------- দূর সম্পর্কের এক আত্নীয় "রিচার্ড সালটন" সম্পর্কে দাদু হয় অ্যাডাম সালটনের। তার সঙ্গে দেখা করতেই সূদুর অস্ট্রেলিয়া থেকে ইংল্যান্ডে এলো অ্যাডাম । জানত না যে, সাক্ষাৎ মৃত্যু অপেক্ষা করছে তার জন্য।অ্যাডাম খুব সহজেই "রিচার্ড সালটন" এবং তার বন্ধু "সার নাথানিয়েল" কে আপন করে নিল । এ গল্পে রয়েছে এক পিশাচ সাধক "এডগার ক্যাসওয়াল" যার রয়েছে সম্মোহনী ক্ষমতা । আছে এক রহস্যময়ী নারী "লেডি আরাবেলা মার্চ" । রয়েছে এক দৈত্যাকার "শ্বেত সর্পের" কথা যা কি না বেঁচে আছে হাজার বছর ধরে! সত্যিই কি তাই? না কি কেবলই কুসংস্কার? একটি অশুভ সিন্দুকের কথা বলা হয়েছে এখানে, যার সত্যতা গোপন করে চলেছে নব্বুইয়ের কাছাকাছি বয়সী এক ভৃত্য "সাইমন" । কি এমন দেখেছিল সাইমন ঐ সিন্দুকটি খোলার পর! যা স্বীকার করতে জোর করায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হল তার !!! এছাড়াও আছে রহস্যময়ী এক ঘুড়ির কথা । আরাবেলার মাঝে কি এমন রহস্য লুকিয়ে আছে যে মহিলাকে দেখা মাত্রই বেজি গুলো হামলা চালাচ্ছে তার উপর? কেনই বা "লিলা" নামের মেয়েটি দিন দিন এমন দূর্বল হয়ে পড়ছে, দেখে যেন মনে হয় কেউ তার প্রান শক্তি ধীরে ধীরে শুষে নিচ্ছে !!! অ্যাডামের বেজি দুটো রহস্যজনক ভাবে খাচার ভেতর কি করে মরে গেল? যেন মনে হচ্ছে শ্বাস রোধ করে মেরে ফেলা হয়েছে প্রানী দুটোকে !!! শত শত ফুট গভীর কুয়া থেকে যে সবুজ আভা বের হতে দেখা যায় তার রহস্যই বা কি? কি করে অ্যাডাম রক্ষা করবে নিজেকে আর তার প্রিয়তমাকে সেই অশুভ শক্তির হাত থেকে যার সাথে শুভ শক্তির লড়াই হচ্ছে সৃষ্টির শুরু থেকে? অ্যাডাম কি পারবে? জানতে হলে পড়ুন --- ড্রাকুলা-খ্যাত ব্রাম স্টোকার-এর শ্বাসরুদ্ধকর পিশাচ কাহিনী "#লেয়ার_অভ_দ্য_হোয়াইট_ওঅর্ম"

      By Kazi Asifuzzaman

      28 Sep 2017 11:23 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা বইয়ের নামঃ লেয়ার অভ দ্য হোয়াইট ওঅর্ম বইয়ের ধরণঃ হরর / ভৌতিক উপন্যাস লেখকঃ ব্রাম স্টোকার রূপান্তরঃ ইসমাইল আরমান প্রচ্ছদঃ ইসমাইল আরমান প্রকাশনীঃ সেবা প্রকাশনী প্রকাশকালঃ ২০১০ পৃষ্ঠাঃ ২২০ মুল্যঃ ৭৬ টাকা (মুদ্রিত মূল্য); ৬৮ টাকা (রকমারি মূল্য) লেখক পরিচিতিঃ ব্রাম স্টোকার ১৮৪৭ সালে আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। সাত ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। কর্মজীবনে তিনি লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। ১৮৮২ সালে তাঁর লেখা প্রথম গ্রন্থ “আন্ডার দ্য সানসেট” প্রকাশিত হয়। লেখালেখিকে তিনি কখনো পেশা হিসেবে নেন নি। তারপরও আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান ১৮৯৭ সালে “ড্রাকুলা” প্রকাশের পর। বিশ্বসাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর একটিতে পরিণতহয় সেটি। এছাড়া তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত বইয়ের মধ্যে রয়েছে দ্যা জুয়েল অভ সেভেন স্টারস, লেয়ার অভ দ্যা হোয়াইট ওঅর্ম, লেডি অভ দ্যা স্প্রাউড, ড্রাকুলা’স গেস্ট প্রভৃতি। ১৯১২ সালের ২০ শে এপ্রিল এই কালজয়ী লেখক মৃত্যুবরণ করেন। সার-সংক্ষেপঃ দূর-সম্পর্কের এক আত্মীয়র সাথে দেখা করবার জন্য সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছে অ্যাডাম সালটন। জানত না, ওর জন্য সাক্ষাৎ মৃত্যু অপেক্ষা করছে। সাপের উৎপাতে দিশেহারা হবার দশা, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এক পিশাচ সাধকের সম্মোহনী হামলা এবং এক রহস্যময়ী নারীর ভয়াল ষড়যন্ত্র। সবথেকে বড় বিপদ হয়ে দেখা দিল এক দৈত্যাকার শ্বেতসর্প... গভীর আর আস্তানা, যেখানে চলে নরমাংসের ভোজ! পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ যারা সাধারণত সাহিত্যপ্রেমী এবং সর্বভূক বইপোকা, তাদের কাছে ব্রাম স্টোকার নতুন নাম না। এমনকি যারা ব্রাম স্টোকারকে চেনেন না, তারাও অন্তত “ড্রাকুলা” নামটা জীবনে একবার হলেও শুনে থাকবেন। আমরা যারা বইপোকা, তারা ব্রাম স্টোকারের নাম শুনলেই প্রথমেই ড্রাকুলা’র কথা মাথায় এনে ফেলি। আরও বড় করে বলতে গেলে “ভূতের গল্প”এর কথা মাথায় নিয়ে আসি। ব্রাম স্টোকার মানেই ভূত, পিশাচ, ভয়। আসলেই তাই! তিনি ভূতের গল্প ছাড়া অন্যকোন ধরণের উপন্যাস তেমন একটা লেখেন নি। অবশ্য তাঁর দরকারও পড়েনি। কারণ উনি মানুষকে ভয় দেখানোর ক্ষেত্রে পুরোপুরি সফল এবার আসি আলোচ্য বইয়ের কথায়। আলোচ্য বইয়ের নাম “লেয়ার অভ দ্যা হোয়াইট ওঅর্ম”। এখানে লেয়ার মানে স্তর না। অর্থাৎ ইংরেজী Layer না। শব্দটি হলো Lair. অর্থাৎ ডেরা বা গর্ত। বইয়ের নামটি অর্থ করলে দাঁড়ায় “শ্বেতকীটের ডেরা!” অদ্ভুত নাম না? বলাই বাহুল্য, এই বইটিও একটি ভৌতিক উপন্যাস। বইটির কাহিনী সংক্ষেপ উপরে দিয়েছি তাই পুনরায় ব্যাখ্যা করতে গেলাম না। বরং বইটির খারাপ-ভালো দিকগুলো তুলে ধরি। প্রথমে ভালো দিক...  বইটি খুব সুপাঠ্য।  চমৎকার বর্ণনা ও লেখনী।  চমৎকার ও সহজ সাবলীল অনুবাদ।  বইটি আজ থেকে ২০০ বছর আগের কাহিনী ও প্রেক্ষাপটে লেখা তাই চমৎকার একটি ক্লাসিক ও নস্টালজিক আমেজ অনুভব করবেন পাঠক!  পুরানো আমলের বৃটিশ সাহিত্যে মূল ঘটনার থেকে আশপাশের বর্ণনার আধিক্য থাকতো বেশি। যার ফলে কাহিনীর গতি কমে যেত। তবে আলোচ্য বইয়ে কাহিনীর গতি ছিল দেখার মত। ২২০ পৃষ্ঠার বই কখন শেষ হয়ে গেলো বুঝতেই পারিনি! এবার বলি খারাপ দিক... আলোচ্য বইটি মূলত ক্লাসিক গল্প। তাই এসব গল্পের খারাপ দিক তুলে ধরাকে আমি একরকম ধৃষ্টতা মনে করি। তাই গল্প নিয়ে কিছুই বলবো না। যা বলবো সেগুলো অনুবাদ নিয়ে।  আলোচ্য বইটিকে আসলে অনুবাদ না বলে রূপান্তর বলাই শ্রেয়। কারণ বইটির পড়ার সময় অনেক স্থানেই ঘটনাগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে বলে মনে হয়েছে। একটি উপন্যাসে এত কম সংলাপ থাকতে পারে না। বইটির ইংরেজি বইটি আমি দেখেছি। প্রায় ২০০ পৃষ্টার বই। সেই ২০০ পৃষ্টার বইয়ের অনুবাদ কিভাবে ২২০ পৃষ্টায় ১২ ফন্টের লেখায় শেষ হয়, পাঠক হিসেবে ব্যাপারটা আমার কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।  বইটি যদিও একটি পিশাচ কাহিনী, তারপরও কেন যেন ভয় পেলাম না। অথচ ড্রাকুলা বইটির অনুবাদ পড়ার সময়ও দিনেরবেলায় গা ছমছম করে উঠেছিল। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে এই বইটিও অন্তত কিছুটা ভয় পাওয়াতে পারতো। কেন পারলো না বুঝতে পারলাম না। গল্পটাই কি এরকম নাকি রুপান্তর করতে গিয়ে ভয়ের ব্যাপারটা ভালো করে উঠে আসতে পারে নি? তারপরও বলবো বইটাকে রহস্যপোন্যাস বলা যেতে পারে কিন্তু ভৌতিক না! তবে এত কিছুর পরও একটি কথা সত্য, বইটি একটি চমৎকার বই। ভয় পাবেন কি না জানিনা, তবে পাঠকের সময়টা খুব ভালো কাটবে কথা দিচ্ছি! এছাড়া বইটির প্রচ্ছদ, ছাপার অক্ষর যথেষ্ঠ আকর্শনীয়। দামও অত্যন্ত কম। একেবারেই সাধ্যের মধ্যে! ধন্যবাদ! হ্যাপি রিডিং! রেটিংঃ ৪/৫

      By noboni ahmed

      01 Jul 2017 04:19 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অ্যাডাম সালটনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা অস্ট্রেলিয়াতে হলেও তার পূর্ব পুরুষদের আদি নিবাস ইংল্যান্ডে। বাবা,দাদা কেও এখন আর জীবিত না থাকা সত্ত্বেও ইংল্যান্ডের প্রতি এক সূক্ষ্ম টান আছে অ্যাডামের। আর এই টানে নতুন জোয়ার আসে যখন দাদার ভাই অ্যাডামের আরেক দাদা রিচার্ড সালটন ইংল্যান্ডে যাবার নিমন্ত্রণ দেয় তাকে। আগ্রহের সাথেই সে রিচার্ড দাদুর সাথে দেখা করতে যায় ইংল্যান্ডে। সেখানে গিয়ে পরিচয় হয় দাদার বন্ধু ইতিহাসপ্রেমী স্যার নাথানিয়েল ডি স্যালিস এর সাথে। দারুণ সময় কাটাতে শুরু করে অ্যাডাম। প্রাচীন স্থাপত্য আর ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী অ্যাডাম যেন তার গবেষণার উপযুক্ত জায়গা পায়। কিন্তু সেখানে হঠাৎ করে কিছু অশুভ আভাস দেখা দেয়। উক্ত এলাকার জমিদার পরিবার ক্যাসওয়ালদের এক বংশধর এডগার ক্যাসওয়াল এসে হাজির হয় প্রাসাদে। ঐদিকে অ্যাডামের সাথে পরিচয় হয় ডায়ানা'স গ্রোভ নামক এস্টেটের মালিকিন রহস্যময়ী নারী লেডি আরাবেলা মার্চ এর সাথে। কোন এক অজানা কারণে অ্যাডাম এই দুইজনের কাছাকাছি এলেই এক অশুভ কিছুর উপস্থিতি টের পায়। মোটেও পছন্দ করতে পারেনা এডগার এবং আরাবেলাকে। এদিকে আবার এক কৃষক কন্যা মিমি ওয়াটফোর্ড এর প্রতি ভালবাসা তৈরী হয় অ্যাডামের। কিন্তু চারপাশের এই অশুভ পরিস্থিতির মাঝে কীভাবে স্বাভাবিক জীবন কাটাবে অ্যাডাম? অদ্ভুত কারণে প্রচন্ড সাপের উৎপাত,লেডি আরাবেলার রহস্যময় চালচলন,সেইসাথে এডগার ক্যাসওয়ালের সম্মোহনী ক্ষমতার মাঝে কীভাবে টিকবে অ্যাডাম? রক্ষা করতে পারবে কি তার প্রেমিকাকে? এই রহস্যের কূল কিনারা কী হতে পারে? নিজের অজান্তেই অ্যাডাম জড়িয়ে যায় এর অশুভ,মরণ ডাকা লড়াইয়ে। ব্রাম স্টোকার এর "ড্রাকুলা" বই পড়েননি এমন পাঠক খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমি ড্রাকুলা পড়েছিলাম খুব ছোট বয়সে। আমি এমনিতেই খুব ভীতু মানুষ। হরর মুভি বা ভৌতিক কাহিনীর বই আমি সযত্নে এড়িয়ে যাই সব সময়। ড্রাকুলা পড়ার পরের সেই আতঙ্ক আমি এখনো মনে করতে পারি। একারণেই এই বইটা যখন পড়তে নিই খুব ভয়ে ভয়ে পড়ছিলাম।রাতের বেলা পড়িনি,পড়েছি দিনের বেলা। অল্প কিছু পড়ার পর দেখি হায়! ভয় পাওয়ার মত কিছুই নেই বইয়ে। এমনকি ড্রাকুলার ২০ ভাগের ১ ভাগ ভয়ও পাইনি! শেষ করার পর তো একদম ভয় এর নামগন্ধও আর ছিলোনা। বইয়ের কিছু জিনিস ধোঁয়াটে থেকে গিয়েছে। এডগার ক্যাসওয়ালের মেজমারের সিন্দুকের কাহিনী প্রথম দিকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভাবে উপস্থাপন করা হলেও পরবর্তীতে এই ব্যাপারে কিছুই খোলাসা করা নেই। এডগারের ঘুরি উড়ানোর ব্যাপারেও একই রকম করা হয়েছে। বিষয়ের গুরুত্ব কেন জানি হুট করেই পরিবর্তিত হয়েছে আলাদা ব্যক্তি বা বস্তুর ওপর। কিছু বর্ণনা কাহিনীর সাথে সামঞ্জস্য রাখেনি। কাহিনীর গাঁথুনী কেমন যেন খাপছাড়া! মোট কথা ড্রাকুলার পাঠকরা যে আশা নিয়ে বইটা পড়বে তারা নিশ্চয় হতাশ হবে। তবুও হাতে যদি বাড়তি সময় থাকে তো লেয়ার অভ দ্য হোয়াইট ওঅর্ম এর রহস্যের কিনারা করতে অগ্রসর হওয়া যায়।

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!