User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পে অনন্য বই এটি। এমন দরকারি এবং অনুসন্ধিৎসু বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে আর কোনো বই প্রকাশ হয়েছে কিনা বলা যাচ্ছে না। হলেও এটির তথ্যবহুল কিনা তাতেও সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। বইটি এ লেখকের সবচেয়ে উজ্জ্বল কাজ। এ বইতে পুলিশবাহিনীর সূচনাকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সামগ্রিক ইতিহাসকে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে মৌর্য আমলের পুলিশ ব্যবস্থাপনা (খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী), গুপ্ত আমলের পুলিশ ব্যবস্থাপনা, পাল ও চন্দ্র আমলের পুলিশ ব্যবস্থাপনা, বর্মণ ও সেন আমলে পুলিশ ব্যবস্থাপনা, দিল্লীর সুলতানি আমলে পুলিশ ব্যবস্থাপনা, হুসেন শাহী আমলে বাংলার পুলিশ ব্যবস্থাপনা, মোগল আমলে পুলিশ ব্যবস্থাপনা ও প্রাচীন আমলের প্রশাসনিক স্থাপনা। ব্রিটিশ উপনিবেশ প্রায় দুইশ বছর ঘাড়ে চেপে বসেছিলো বাঙালি জাতির। ভালোমন্দ মিলিয়ে তাদের আমলেই পুলিশ বাহিনী একটি সংহত রূপ লাভ করে। এখনকার যে আধুনিক পুলিশ এ ধারণা এবং বিন্যাসটাও সে সময়কালের ভিনদেশি শাসকদের। দ্বিতীয় অধ্যায়ে বিধৃত হয়েছে ওয়ারেন হেস্টিংসের আমলে পুলিশ ব্যবস্থাপনা, লর্ড কর্নওয়ালিশের সময় পুলিশ ব্যবস্থাপনা, পুলিশ বিভাগে অপর্যাপ্ত ও অদক্ষ সংস্কার, ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে গঠিত পুলিশ কমিশন, ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে গঠিত পুলিশ কমিশনের সুপারিশ, কমিশনের সুপারিশ কার্যকরীকরণ, পুলিশ অফিসারদের মধ্যে বিদ্বেষ, বিভিন্ন স্তরের পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা, জেলায় পুলিশের অঞ্চলসমূহ, পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক, জনগণ কর্তৃক পুলিশকে এড়িয়ে চলার কারণ, জনগণের ত্রুটি ও পুলিশ বাহিনী। তৃতীয় বিধৃত হয়েছে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশে পুলিশ পুনর্গঠন, পাকিস্তান আমলে পুলিশ ব্যবস্থাপনা, ১৯৪৮ সালে পুলিশ অসন্তোষ, ১৯৫৫ সালে ঘটিত দ্বিতীয় পুলিশ অসন্তোষ, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস। চতুর্থ অধ্যায় থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ অধ্যায়। যে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে পুলিশ বাহিনীর গঠন এবং কার্যক্রম সেটা স্থিত হয় বাংলাদেশে এসে এবং এখনো তা চলমান। এ অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে বাংলাদেশ আমলের পুলিশ ব্যবস্থাপনা, সিআইডি পুলিশ, এসবি পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, নৌ পুলিশ, মহানগর পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, মাউন্টেড পুলিশ, মহিলা পুলিশ, গ্রাম্য সংগঠন প্রথার ভিত্তি, গ্রাম্য পুলিশ প্রথা, পঞ্চায়েত কমিটি ও কমিউনিটি পুলিশিং, বাংলাদেশ পুলিশের প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা ও জনবল, থানা পদ্ধতি। সাধারণ মানুষের জানার আগ্রহ এবং জ্ঞানতৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি এটি পুলিশ বিভাগে কর্মরত প্রমোশন প্রত্যাশী, ট্রেনিং সেন্টার বা একাডেমিতে প্রশিক্ষণরত সদস্য ও মাঠকর্মী অফিসার, আইনের ছাত্র, শিক্ষানবিস বিসিএস প্রশাসন অফিসার প্রমুখের দৈনন্দিন কর্মপ্রবাহের একটি নির্ভরযোগ্য বই হিসেবে ইতোমধ্যে স্বীকৃত হয়েছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ গাইড বই হিসেবে বিবেচিত।